চট্টগ্রাম রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪

সর্বশেষ:

আজ ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি বাঁশখালীতে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা নারী পুরুষ থানা পুলিশ হেফাজতে

নিজস্ব সংবাদদাতা , বাঁশখালী

১৪ মে, ২০১৯ | ২:২৫ পূর্বাহ্ণ

উখিয়া কুতুপালং শরণার্থী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বাঁশখালীতে নারী, শিশু, পুরুষ সহ ২১ জনকে মালয়েশিয়ায় চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বাঁশখালী ছনুয়া গ্রামে নিয়ে এসে সাগর পথে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় পুলিশ বাদি হয়ে মানব পাচার আইনের অপরাধে মামলা দায়ের করেছে। আজ মঙ্গলবার উদ্ধার হওয়া নারী ও শিশুদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। পরবর্তীতে তাদের কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের নাগরিক উখিয়ার কুতুপালং এর বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থানকালীন সময়ে বাঁশখালী উপজেলা ছনুয়া মানব পাচারকারী সক্রিয় দালাল চক্র নারীদের চাকরি ও বিয়ে সহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। এতে এসব নারী, পুরুষরা রাজি হয়ে যায়। তারা দল বেঁধে বিভক্ত হয়ে দিনেরাতে সিএনজি অটোরিক্সা যোগে আলাদা আলাদাভাবে চকরিয়ায় আসেন। চকরিয়া থেকে বাঁশখালী ছনুয়ায় ১নং ওয়ার্ডে অবস্থান নেয়। এলাকায় এত মহিলার উপস্থিতি নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। খবর পৌঁছে যায় চেয়ারম্যান, মেম্বার, চৌকিদার, দফাদারের কাছে। দালালদের বসত বাড়িতে অভিযানে উদ্ধার হয় ৩০ বছর বয়সী ১ মহিলা, উঠতি বয়সী ১৬ জন যুবতী, ৩ যুবক ১ শিশু। রাতে বাঁশখালী থানা পুলিশের এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদেরকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।
ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ছনুয়া এলাকায় চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি এই অপরাধের সাথে জড়িত। বাঁশখালী অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) কামাল উদ্দিন বলেন, উদ্ধার হওয়া নারী ও শিশুদেরকে বাঁশখালী আদালতে তোলা হবে। বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করার পর উখিয়া থানার মাধ্যমে ক্যাম্পে পৌঁছানো হবে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট