চট্টগ্রাম শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সর্বশেষ:

সব বয়েসীদের পণ্যের সমাহার চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে

নিজস্ব প্রতিবেদক হ

১০ মে, ২০১৯ | ২:২৭ পূর্বাহ্ণ

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠছে। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছে মার্কেটের বেচাবিক্রি। মার্কেটে রয়েছে দেশি-বিদেশি ব্রান্ডের শো-রুম। ক্রেতা টানতে সব দোকানেই অন্দরসজ্জায় আনা হয়েছে বৈচিত্র্য। ক্রেতারা পছন্দসই জিনিস দরদাম করে পছন্দ হলেই কিনে নিচ্ছেন। রোজার শুরু থেকে চলছে এ মার্কেটে কেনাকাটা। দিনে দিনে বাড়ছে দোকানিদের ব্যস্ততাও। দ্বিতল বিশিষ্ট ৩৭৫টি দোকান চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৪ সালের ২৪ অক্টোবর। তৎকালীন সিটি মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। মার্কেটের নিচের তলায় ২২৭টি এবং ওপরের তলায় ১৪৮টি দোকান রয়েছে। নগরীর ষোলশহর ২নং গেট সংলগ্ন এলাকায় চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের অবস্থান। এটি নির্মাণ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে আধুনিক সবধরণের কাপড়-চোপড়, গার্মেন্টস আইটেম, বুটিকস, জুতা, স্বর্ণালংকার, কসমেটিকস, শাড়ি, পাঞ্জাবি, ক্রোকারিজ ও ফাস্ট ফুডের দোকান থেকে শুরু করে সবই রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে অন্যান্য বছরের মতো এবারও পুরো মার্কেটকে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। রয়েছে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা জানান, নগরীর অত্যন্ত আধুনিক চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে প্রতিটি দোকানে এবার ঈদ উপলক্ষে পণ্যের সমাহার করা হয়েছে। নি¤œবিত্ত, নি¤œ মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সকল শ্রেণির ক্রেতার পণ্য রয়েছে এ মার্কেটে। বিশেষ করে নারীর পোষাকের সম্ভার ঘটানো হয়েছে। রয়েছে থ্রি-পিচ, শাড়িসহ আধুনিক কাপড়-চোপড়। জিন্স প্যান্ট, টি-শার্ট ও শিশু কাপড় তোলা হয়েছে দোকানগুলোতে। মার্কেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতি’র মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সমিতির সভাপতি আলহাজ শহীদুল

আলম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ গোলাম মোস্তফা দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘কেনাকাটার আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা রয়েছে চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে। যাতায়াতে সুবিধা, প্রশস্ত করিডোর, মার্কেটের চতুর্দিকে গাড়ি পার্কিয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। মার্কেটের নিজস্ব আনসার দিয়ে রয়েছে নিরাপত্তার সু-ব্যবস্থাও। এতে কেনাকাটায় ক্রেতারা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।’ তারা বলেন, ‘ক্রেতার আকর্ষণ বাড়াতে এ মার্কেটে পণ্যের যেমন আধুনিকতা রয়েছে, তেমনি দামও তুলনামূলক গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে আছে। এতে ক্রেতারা কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। ঈদকে ঘিরে চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে বেচাবিক্রি ক্রমাগত বাড়ছে। আগামী ১০ রোজার পর কেনাকাটা ক্রমাগত বাড়বে। তাছাড়া ১২ মে থেকে চাঁদ রাত পর্যন্ত প্রতিদিন মার্কেট থাকবে।’
শহীদুল আলম চৌধুরী ও গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করে বলেন, ‘ষোলশহর ২নং গেটস্থ নির্মাণাধীন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সড়ক মোড়ে প্রতিনিয়ত নির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকে। এতে সড়কে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারকে অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া মোড়ে টেম্পু ও বিপ্লব উদ্যানের পাশে ফুটপাতে চায়ের দোকানের কারণে ক্রেতা সাধারণের চলাচলে ব্যাপক অসুবিধা হচ্ছে। চায়ের দোকানের মালিকরা প্রায়শঃ ঝগড়া বিবাদের কারণে এখানকার সুষ্ঠু পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট