
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৪১টি ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর নেই, সংরক্ষিত আসনের ১৪টিতে কোনও মহিলা কাউন্সিলর নেই। এভাবে নাগরিক সেবায় তীব্র অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, জন্মনিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধনের মতো জরুরি সেবাগুলো মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুরা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচিত কাউন্সিলর থাকলে নগরবাসীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হতো।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় বন্ধ থাকায় স্থানীয় সমস্যা যেমন-ভাঙ্গা রাস্তা, পানির সমস্যা ইত্যাদির দ্রুত সমাধান মিলছে না। সাধারণ নাগরিকরা তাদের সমস্যার কথা জানানোর কার্যকর কোনো পথ পাচ্ছেন না।
জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করার বিকল্প নেই।
বৈঠকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুর প্রমুখ।
এসময় কোতোয়ালী থানা ও সদরঘাট থানা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং ১১টি ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।
পূর্বকোণ/এএইচ