
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও আমরা জ্বালানির জন্য অল্টারনেটিভ অনেকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা জ্বালানি আনার চেষ্টা করেছি। কিছু কিছু শুরুও হয়েছে।
রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, অলটারনেটিভ ব্যবস্থা চেষ্টা করছি, বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকিউর করার জন্য। আশা করছি, একটা ভালো ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব। বিশ্ব প্রেক্ষাপট, যুদ্ধ তো আর পরিবর্তন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। এটা চাপ আসবেই। এর মধ্যেই আমাদের এটার সমাধান সকলকে মিলে করতে হবে।
তিনি বলেছেন, এটা কঠিন সময়, আমাদেরকে স্বীকারই করতে হবে। একে তো অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। সাথে সাথে এই যে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে, সেটার কারণে অর্থনীতির উপর বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এই যুদ্ধ যদি চলতে থাকে চাপটা আরো বাড়তে থাকবে। ইতোমধ্যে আমাদের জ্বালানি যে প্রকিউরমেন্ট—ভালো ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এখনো অব্যাহত আছে; যাতে জ্বালানির অভাবে মিল-কারখানা, পাওয়ার সেক্টর বাধাগ্রস্ত না হয়। সেটা এখনো মোটামুটি স্থিতিশীল আছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এখনো পর্যন্ত ‘ব্যবস্থাপনার’ মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের চাপ সামাল দিতে চেষ্টা করছে সরকার। তবে ভবিষ্যতের চাপ সামলাতে জনগণকেও ‘সংযমী’ হতে হবে।
পরিবহন ব্যয় সারা পৃথিবীতে বেড়ে গেলেও দেশে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রয়েছে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবকিছু মিলিয়ে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমরা মনে করি অর্থনীতি, জনগণের উপরে সেরকমের চাপ সৃষ্টি হয়নি। আমরা এখনো জনগণকে যেমন- তেলের মূল্য বৃদ্ধি করি নাই, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হয় নাই, বাসের ভাড়া বৃদ্ধি হয় নাই, শ্রমিকদের বেতন ভাতা ইত্যাদি তারা সময়মত পেয়ে গেছে। মোটামুটি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করছি এটাকে ধরে রাখার জন্য। সবাই ভালো ঈদ করছে। বিশেষ করে গণতান্ত্রিক সরকার আসার পরে সবার মনজগতে যে প্রত্যাশা ছিল, সেটা পূরণ হয়েছে। তাদের নির্বাচিত সংসদ-সরকার হয়েছে। এরকম সময়ে প্রথম ঈদটাও একটা মুক্ত অবস্থায় মনে হচ্ছে।
পূর্বকোণ/পিআর