চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

এবার দাম বাড়ল ধনেপাতা, কাঁচামরিচ ও ডিমের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ মে, ২০২৩ | ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঊর্ধ্বগামী দ্রব্যমূল্যের কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি সপ্তাহেই কোন না পণ্যের আরও বাড়ছে। চলতি সপ্তাতে বাজারে নতুন করে দাম বেড়েছে প্রতিদিনের রান্নায় অতি প্রয়োজনীয় পণ্য কাঁচামরিচ ও ধনেপাতার। সাথে দাম বেড়েছে ডিমেরও।

বাজারে ক্রেতারা বলছেন, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতার দাম বেড়েছে আকাশ ছোঁয়া। অথচ এ দুটি পণ্য ছাড়া রান্নাই সম্ভব নয়। এছাড়া ডিম, আলু হচ্ছে গরিবের ভরসা। সেই দুই পণ্যের দামও অনেক বেড়েছে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। প্রশাসনের বাজার তদারকি বাড়ানো দরকার। না হয় গরিব মানুষরা না খেয়ে মরবে।

গতকাল নগরীর চকবাজার কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, তিন থেকে চার দিনের ব্যবধানে প্রতিকেজি কাঁচামরিচে দাম বেড়েছে ১২০ টাকা এবং ধনেপাতা প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা। এছাড়া ডিম প্রতি ডজনে দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

সবজি ব্যবসায়ী রিপন বলেন, বৃষ্টির কারণেই কাঁচামরিচ, ধনেপাতাসহ সব সবজির দাম বাড়তি। এখন আবার দাম বেড়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা’র কারণে। পাইকারিতে এখন কাঁচামরিচ, ধনেপাতা কম পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (গতকাল) বাজারে কাঁচামরিচ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায় এবং ধনেপাতার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।

এদিকে সব সময় স্থিতিশীল থাকা আলু গত দুই মাস ধরেই ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে। যা দুই মাস আগেও বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্যান্য পণ্যের দাম উঠা-নামা করলেও আলুর দাম প্রায় স্থিতিশীল থাকতো। যদি বাড়েও তবে ২০ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে থাকতো। আলু গতবছর একই সময় ১৫ থেকে ২০ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে। আবার মৌসুমে এটি ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হয়। এখন সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া, কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়, বেগুন ৪০ থেকে ৬০ টাকায়, বরবটি ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, লতি ৬০ টাকায়, লাউ ৪০ টাকায়, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৫০ টাকায়, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকায়, সোনালি মুরগি ৩০০ টাকায়।

পূর্বকোণ/এ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট