চট্টগ্রাম বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সর্বশেষ:

বিআইএসডিপি কর্মশালায় বিশেষজ্ঞগণ

বিভ্রান্তি দূর হলে বীমা খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ জুন, ২০১৯ | ১:৪১ পূর্বাহ্ণ

বর্তমানে উন্নত বিশ্বে বীমার সাহায্য ছাড়া মানুষ এক মুহূর্তও চলতে পারে না। বীমার প্রতি তাদের রয়েছে সুদৃঢ় আস্থা। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ চিত্র ভিন্ন। বীমার সুফল সম্পর্কে জানিয়ে ও নানা রকম বিভ্রান্তি, অবিশ্বাস দূর করে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে দেশের জিডিপিতে বীমা খাতের অতিরিক্ত বা বাড়তি প্রিমিয়াম উৎপাদনের এক বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। বাংলাদেশের বীমা খাত উন্নয়ন প্রকল্পের (বিআইএসডিপি) উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বীমা খাতের বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন।গত বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় নগরীর মোটেল সৈকতে বাংলাদেশের বীমা খাত উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য গকুল চাঁদ দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর এ এফ এম আওরঙ্গজেব ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইনসিরেন্স একাডেমি পরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন। কর্মশালায় অংশ নেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে প্রোভিসি ড. নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির প্রধান অনুষদ সদস্য এসএম ইব্রাহিম হোসাইন। কর্মশালায় অতিথিরা বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে প্রফেশনাল পেশাগত দায় বীমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যা আমাদের দেশে নেই। কারণ বাংলাদেশের মানুষের বীমা সম্পর্কে ভালো কোনো ধারণা নেই। বীমা মানুষের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেবিষয় সবাইকে জানাতে হবে। প্রতিটি মানুষের জীবন থেকে শুরু করে প্রতিটি জিনিসের উপর বীমা করা উচিৎ। পৃথিবীর সব দেশে এ পদ্ধতি চালু আছে। এ পদ্ধতি বাংলাদেশেও চালু করা দরকার। শহরে, গঞ্জে, পল্লিতেও ক্লিনিক, ডায়াগনোস্টিক সেন্টার এবং প্রাইভেট সেক্টরে প্রচুর হাসপাতাল স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছে। তাই স্বাস্থ্য বীমা বাধ্যতামূলক করা হলে নতুন লাইসেন্স আবেদনকারী সংস্থা এবং বর্তমান লাইসেন্স নবায়ন করার সময় এই সমস্ত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহ এই বীমা ক্রয় করতে বাধ্য হবে। এতে প্রতিটি মানুষের চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে মৃত্যু পরবর্তীতে পরিবারকে যেন ঝুঁকিতে পড়বে না হয় তাই এ বীমার আওতায় আনা দরকার। বীমাকারী কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হলে বীমা কর্তৃপক্ষ শতকরা হরে সে ক্ষতি পুরণও প্রদান করছে। এছাড়া কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. নায়েব আলী ম-ল, নির্বাহী পরিচালক বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ মো. খলিল আহমেদ, উপ-প্রকল্প পরিচালক এস এম মাসুদুর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব মুর্শেদা জামান, প্রকল্পের পরিচালক ও সহকারী পরিচালক ও কর্মশালায় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, পেশাজীবী, বিভিন্ন বীমা কোম্পানির কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।-বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট