চট্টগ্রাম বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সর্বশেষ:

দাম ক্রেতাদের নাগালে রসালো ফলে ভরপুর চন্দনাইশের বাজার

মো. দেলোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ

১৯ জুন, ২০১৯ | ১:০২ পূর্বাহ্ণ

চন্দনাইশে প্রতিটি বাজার ও সড়কের পাশে পাওয়া যাচ্ছে রসালো ফল আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, লিচুসহ বিভিন্ন জাতের ফল। এসব ফলের দামও ক্রেতাদের নাগালে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বেচা-বিক্রি বেড়েছে বলে জানালেন বিক্রেতারা।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের হাট-বাজার তথা পটিয়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, সাতকানিয়া, বাঁশখালীসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারগুলোতে মৌসুমি দেশি ফল বিক্রি হচ্ছে প্রচুর। এসব উপজেলার বাজার ছাড়াও পাড়া-মহল্লায়, রাস্তা-ঘাট, ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় সুপারশপ, অলিতে-গলিতে এখন রসালো ফলে ভরপুর। ভ্যানেও এ সব ফল বিক্রি করছেন ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা।
চন্দনাইশ সদর বাজারের ফল ব্যবসায়ী রউফ উদ্দীন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাজশাহী, দিনাজপুর থেকে আম, কাঁঠাল ও লিচু আসার পাশাপাশি চন্দনাইশে উৎপাদিত আনারস, কাঁঠাল, লিচু, আম, জাম প্রচুর বিক্রি হচ্ছে। শুরুর দিকে এসব ফল একটু বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল বলে জানান তিনি।
সরেজমিনে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সরবরাহ বাড়ায় বাজারে দেশি ফলের দাম কমতে শুরু করেছে। দোহাজারী বাজারের ফল ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন জানান, আম-লিচু বেশি পাওয়া যাচ্ছে, দামও কম। ল্যাংড়া আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা, হিমসাগর ৮০-৯০, আ¤্রপলি ৭০-৭৫ টাকা। দেশি জাতের একশ লিচু ২০০-২৫০ টাকা, চাইনিজ লিচু ১৫০-১৮০ টাকা। আম-লিচুর দাম কমেছে দাবি করে এ ফল ব্যবসায়ী বলেন, গত সপ্তাহে যে লিচু তিনশ টাকা ছিল আজ তা বিক্রি করছি ২০০ টাকা। সব ধরনের আমের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে বলে জানান তিনি।
চৌধুরী হাট এলাকায় ভ্যানে কাঁঠাল ও আম বিক্রি করছিলেন কামাল উদ্দিন। দাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, বড় কাঁঠাল ২৫০ টাকা, মাঝারি আকারের ১৩০-১৪০, ছোট ৮০-১০০ টাকা। বড় কাঁঠালের ওজন অনুসারে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। জাম প্রতি কেজি ১০০-১২০ টাকা, জামরুল ৫০-৬০, সফেদা ১০০-১২০, লটকন ৮০-৯০ টাকা। আনারস আকারভেদে প্রতি পিস ২০-৫০ টাকা, কলা প্রতি ডজন ৬০-১৫০ টাকা, বেল প্রতি পিস ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচা তাল ১০-১৫ টাকা।
সব মিলিয়ে চন্দনাইশের প্রতিটি বাজার ও সড়কের আশে-পাশে, পাড়ায়-মহল্লায়, অলিতে-গলিতে মধু ফলে ভরে গেছে। দাম নাগালে ভিতরে থাকায় উচ্চবিত্ত থেকে নি¤œবিত্ত পর্যন্ত তাদের সাধ্য অনুযায়ী চলতি মৌসুমে বিভিন্ন জাতের ফল ক্রয় করে পরিবারের সদস্যদের চাহিদা পূরণ করছেন।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট