
কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, মাজার ভাঙা ফৌজদারি অপরাধ এবং মাজার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমি মাজারে যাব নাকি অন্য কোথাও, এটা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার। মাজার ভাঙা ইসলামের চিন্তার মধ্যে পড়ে না। যারা মাজার ভাঙে, তারা কোনো ধর্মের লোক হতে পারে না। তারা অপরাধী। তাদের শাস্তি পেতেই হবে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দগরীসার এলাকায় সাধক আবদুল কাদির শাহ (রহ.)-এর ৫৮তম স্মরণোৎসব ও বার্ষিক ওরস উপলক্ষে আয়োজিত ‘সুফিবাদ ও আত্মদর্শন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এই চিন্তক মনে করেন, যারা মাজার ভাঙছে তারা একদিকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ধর্ম সম্পর্কে এমন একটা ধারণা দিতে চাইছে, যা আদৌ ধর্ম নয়। মাজার ভাঙা একটি ফৌজদারি অপরাধ। মাজার রক্ষা করাও সরকারের দায়িত্ব।
ফরহাদ মজহার বলেন, একটি গোষ্ঠী মনে করে ধর্মের ব্যাপারে কথা বলার একমাত্র অধিকার তাদের এবং তাদের বাইরে আর কেউ কথা বলতে পারবে না। ফলে মাজার ভাঙা হয়েছে, বাউলদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, অত্যাচার চলছে। অনেক বাউলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং আবুল সরকার এখনো কারাগারে রয়েছেন। এমনকি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে চিন্ময় প্রভুও এখন পর্যন্ত কারাগারে আছেন, এগুলো অন্যায়। এই অন্যায়গুলো থেকে সমাজকে মুক্ত হতে হবে, রাষ্ট্রকে মুক্ত হতে হবে। এটি ছাড়া প্রীতি-ভালোবাসার সমাজ গড়ে তোলা যাবে না।
পূর্বকোণ/কায়ছার/পারভেজ