
বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট কাটাতে ইরানি তেল পরিবহন ও বিক্রির ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সামরিক অভিযান ‘গুটিয়ে আনার’ ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার আওতায় বলা হয়েছে, শুক্রবার (২০ মার্চ) পূর্বাঞ্চলীয় সময় রাত ১২টা ১ মিনিট (গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৫টা ১ মিনিট) পর্যন্ত যে তেল জাহাজে তোলা হয়েছে, তা কেনা যাবে। এই ছাড়ের মেয়াদ থাকবে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেলের দামে যে ঊর্ধ্বগতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত এর আগেই দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কের ‘মর্নিংস উইথ মারিয়া’ অনুষ্ঠানে বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা সমুদ্রে থাকা ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারি, যার পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল।
তিনি আরও বলেন, এটি প্রায় ১০ দিন থেকে দুই সপ্তাহের জ্বালানি সরবরাহের সমান, যা ইরান এরই মধ্যে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ও যার বেশিরভাগই চীনে যাওয়ার কথা ছিল।
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, মূলত আগামী ১০ থেকে ১৪ দিন তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানের এই তেলই ব্যবহার করা হবে, একই সঙ্গে চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যেও বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।
পূর্বকোণ/পিআর