চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ:

মা-বোনদের ইজ্জত ও অধিকার রক্ষায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট চান মাহমুদুল হাসান চৌধুরী

মা-বোনদের ইজ্জত ও অধিকার রক্ষায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট চান মাহমুদুল হাসান চৌধুরী

আনোয়ারা সংবাদদাতা

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১:০৩ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চায়, যেখানে মা-বোনদের ইজ্জত ও অধিকার নিশ্চিত হবে। একটি দল মা-বোনদের গায়ে হাত দিয়ে কাপড় খুলে নিতে চায়। আগামী ১২ তারিখ তাদের না বলুন।

 

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের পীরখাইন গ্রামে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, এই গ্রাম থেকেই আমি ইসলামী আন্দোলনের দাওয়াত পেয়েছি। আজকের উঠান বৈঠকে মা-বোন ও ভাইদের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করে দাঁড়িপাল্লা আপনাদের বিজয়ের প্রতীক হবে।

 

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে চায়। অথচ একটি দল চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজিতে লিপ্ত। আমরা সেই নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বাংলাদেশ আপনারা চেয়েছিলেন। আগামী ১২ তারিখ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করুন বলেন তিনি।

 

উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর আমীর শাইখুল হাদিস আল্লামা জিয়াউল হোসেন।

 

তিনি বলেন, ১৯৫৪ সালে পীরখাইন থেকে নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী আখতার কামাল এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি জানান, বর্তমান ১১ দলীয় জোটে কওমী অঙ্গনের চারটি দল রয়েছে এবং অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী শুধু জামায়াতের নয়, কওমী অঙ্গনেরও প্রার্থী। তাই দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, এই জোটে জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী এনসিপি এবং মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের দল রয়েছে। আনোয়ারা-কর্ণফুলীর মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এবার দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবে,বলেন তিনি।

 

সভাপতির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর নাজিম উদ্দিন বলেন, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ এবং তিনি মা-বোনদের ইজ্জত ও অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

 

আরও বক্তব্য রাখেন জামেয়া জিরির শাইখুল হাদিস আল্লামা শাহাদাৎ হোসেন, দৈনিক আমাদের বাংলার সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান চৌধুরী, দক্ষিণ চট্টগ্রাম যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা আবু তৈয়ব, হাইলধর বদিরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক বখতিয়ার মাহমুদ, ব্যাংকার আলী নেওয়াজ, ডাক্তার জুনাইদ, ব্যাংকার কলিম উল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট