
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশের বৃহত্তম জেলা রাঙামাটির ১০টি উপজেলায় নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
রাঙামাটি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ফরম, অমোচনীয় কালি, স্ট্যাম্প প্যাড ও সিলসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি পাঠানো হলেও এখনো ব্যালট পেপার পাঠানো হয়নি।
জেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২১৩টি। এর মধ্যে ২০টি কেন্দ্র অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছাতে হেলিকপ্টার (হেলি সর্টি) ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনী আমেজ নিয়ে বর্তমানে রাঙামাটির ২৯৯ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী অশোক তালুকদার, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত প্রার্থী জুঁই চাকমা, ১০ দলীয় জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা।
বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বর্তমানে লংগদুর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাঁর পক্ষে তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন পৌর বিএনপির ৯ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইদ্রিস হাওলাদার, যুবদল নেতা মোহাম্মদ শিপন, মোহাম্মদ ফয়সাল ও সাগরসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পৌর বিএনপির ৯ নং ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম জানান, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে ভৌগোলিক কারণে ৫টি উপজেলায় প্রচারণার জন্য নদীপথ ব্যবহার করতে হওয়ায় তাঁদের বেশ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জয়ের ব্যাপারে বিএনপি নেতা-কর্মীরা শতভাগ আশাবাদী এবং ভোটারদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।’
আয়তনের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম এই জেলার একমাত্র সংসদীয় আসনে (রাঙামাটি ২৯৯) মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ২৭৬ জন।
পূর্বকোণ/সিজান/পারভেজ