চট্টগ্রাম সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ:

পাহাড়ে গাছে গাছে আমের মুকুল বাম্পার ফলনের আশা

পাহাড়ে গাছে গাছে আমের মুকুল, বাম্পার ফলনের আশা

নাজমুল হোসেন রনি, নানিয়ারচর

২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৩:১৬ অপরাহ্ণ

রাঙামাটির নানিয়ারচরে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। উপজেলার বাগানগুলো এখন সবুজের মাঝে সোনালী মুকুলে ছেয়ে গেছে এবং বাতাসে মুকুলের সুবাস ছড়িয়ে পড়ছে, যা বাগান মালিকদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

 

কৃষি বিভাগের মতে, যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে, তবে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আম উৎপাদিত হবে।

 

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মোট ৩৮০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫২০০ মেট্রিক টন। বাগানগুলোতে বিভিন্ন উন্নত জাতের আম চাষ হচ্ছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ফজলি, ল্যাংড়া, খিরসাপাত, আমরুপালি, মল্লিকা এবং অত্যন্ত দামী জাত মিয়াজাকি বা সূর্য ডিম।

 

বর্তমানে উপজেলার প্রায় ২০% আম গাছে মুকুল এসেছে। বুড়িঘাটের আম বাগান মালিক আব্দুল হক মিয়া জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে এবং পোকা-মাকড় ও রোগবালাই থেকে মুকুল রক্ষা করতে তারা প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূইঁয়াও জানান যে, কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী চাষিরা প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন।

 

নানিয়ারচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হারুন মিয়া জানিয়েছেন, মুকুল রক্ষা ও ফলন নিশ্চিত করতে তারা কৃষকদের মোট তিনটি স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছেন। ১. মুকুল আসার আগে। ২. মুকুল আসার পরে। ৩. মুকুল যখন মটর দানার মতো আকার ধারণ করে।

 

এই স্প্রে করার মূল উদ্দেশ্য হলো ছত্রাক ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ করা, যাতে আমের ফলন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বাগান মালিকদের মতে, বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের বাম্পার ফলন হওয়া নিশ্চিত।

পূর্বকোণ/সিজান/পিআর 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট