চট্টগ্রাম বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শীতল সম্পর্ক : ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বৃটিশ এমপি ‘হাউ ডেয়ার হি’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শীতল সম্পর্ক : ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বৃটিশ এমপি ‘হাউ ডেয়ার হি’

বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৩:০৭ অপরাহ্ণ

ক্ষণে ক্ষণে মত পরিবর্তন, অন্যকে খাটো করে কথা বলা, খাটো করে দেখা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। নিন্দুকেরা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে তার বক্তব্য ও আচরণ প্রেসিডেন্ট-সুলভ নয়। প্রথমদিকে অনেকে অবাক হলেও এখন আর কেউ তার এমন আচরণে খুব একটা চমকে উঠেন না। ট্রাম্প তার প্রতিপক্ষকে বা যাদের তিনি পছন্দ করেন না, তাদের নিয়ে কারণে-অকারণে বিন্দুমাত্র সম্মান না দেখিয়ে নানা মন্তব্য করেন। আড়ালে-আবডালে নয়, প্রকাশ্যে সবার সামনে, মিডিয়ার সামনে। নর্থ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জন উনকে ‘রকেট ম্যান’ হিসাবে উল্লেখ করে তাকে একধরণের আত্মপ্রসাদ পেতে দেখা গেছে। ভ‚তপূর্ব মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেনকে ‘ব্যর্থ প্রেসিডেন্ট’ হিসাবে উল্লেখ করে তার শাসনামলে উদ্ভুত তাবৎ সমস্যার জন্যে তাদের উপর দোষ চাপিয়ে দিতে দেখা যায়। এবার সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে ‘ন্যাটোকে’ ঘিরে তার মন্তব্যে যুক্তরাজ্যসহ গোটা ইউরোপে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আফগানিস্তান যুদ্ধে ন্যাটোভুক্ত দেশের সেনারা সম্মুখযুদ্ধে না থেকে ‘পেছনে নিরাপদ দূরত্বে’ ছিলেন বলে দাবি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘ন্যাটো কখনো আমেরিকার সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।’ কেবল তাই নয়। আরো একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘আমেরিকার ন্যাটোর কখনো প্রয়োজন ছিলনা।’ ট্রাম্পের এমনতর মন্তব্যে সবচাইতে বেশি কড়াপ্রতিক্রিয়া জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। গত শুক্রবার ডাউনিং স্ট্রিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য অপমানজনক এবং স্পষ্টতই ভয়াবহ। এই মন্তব্যের জন্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমি তাদের সাহসিকতা এবং দেশের জন্য তাদের ত্যাগ কখনও ভুলব না’, বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এতে আফগানিস্তানযুদ্ধে যে সমস্ত সেনাসদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন তাদের প্রতি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের আঘাত করা হয়েছে বলে তিনি জানান। আফগানিস্তানযুদ্ধে যুক্তরাজ্য তার ৪৬৭ জন সেনাসদস্য হারিয়েছে, নিহত হয়েছেন ৯০ ফরাসি সৈন্য এবং ডেনমার্ক হারিয়েছে ৪৪ জন সৈন্য। অন্যদিকে, এই যুদ্ধে ২৪০০ আমেরিকান সেনাসদস্য নিহত হন। যুক্তরাজ্যের এক সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত আফগানিস্থানে দেড় লক্ষাধিক ব্রিটিশ সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন। লেবার দলের সিনিয়র এমপি, এমিলি থর্নবেরি আরো কড়া ভাষায় ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এটি চরম অপমান, তার কী দুঃসাহস যে তিনি বলেন আমরা সামনের সারিতে ছিলাম না, হাউ ডেয়ার হি?’ ‘আমেরিকা যখনই চেয়েছে আমরা তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি’, বলেন লেবার দলের এই সিনিয়র মহিলা এমপি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের ‘বন্ধু’, কিন্তু এর নেতা এমনভাবে আচরণ করেছেন যা ‘অভদ্রতা’ যা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের দুর্বল করার চেষ্টা, দুর্বল করার চেষ্টা ন্যাটোকে।’ জুনিয়র ব্রিটিশ মন্ত্রী স্টিফেন কিনক ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘গভীর হতাশাজনক’ বর্ণনা করে বলেন, ‘মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানগুলিকে সমর্থন করার সময় ইউরোপীয় বাহিনীকে একটি ভারী মূল্য দিতে হয়েছে।’ ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স হ্যারি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আফগানিস্তানে ব্রিটিশ সেনাসদস্যদের ‘ত্যাগ’ সম্মান ও বাস্তবতার নিরিখে দেখা দরকার। প্রিন্স হ্যারির এমন মন্তব্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কীভাবে নেন সেটি দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কেননা মার্কিন স্ত্রী মেগান ও দুই পুত্র নিয়ে প্রিন্স হ্যারি বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করছেন। তবে হ্যারি তার বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করেননি।

 

২.মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এইভাবে প্রকাশ্যে সরাসরি প্রতিউত্তর দেয়া এবং ক্ষমা চাইতে বলা একটি ব্যতিক্রম ঘটনা। কেননা যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার অন্যতম বিশ্বস্তভাজন মিত্র। ইরাক, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন যুদ্ধে ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য-রাষ্ট্রের চাইতে যুক্তরাজ্য এগিয়ে এসেছে সবার আগে। অনেকে সে কারণে যুক্তরাজ্যকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বি টিম’ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। তবে এই যে কড়া সমালোচনা তা হোয়াইট হাউস খুব একটা গায়ে মেখেছে বলে মনে হয়না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষে সাফাই গেয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র টেলর রজার্স বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একেবারে সঠিক কথা বলেছেন। ন্যাটো জোটের সদস্যদেশগুলি সম্মিলিতভাবে যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র একাই তার চাইতে বেশি করেছে।’ কথাটা একেবারে উড়িয়ে দেবার মতো নয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেও, পরে সুর কিছুটা নরম করে বলেন, ‘ইঙ্গ-মার্কিন বন্ধুত্বের সম্পর্ক গভীর ও দীর্ঘদিনের। এটি আমাদের নিরাপত্তা, আমাদের প্রতিরোধ এবং আমাদের গোয়েন্দা তথ্য যোগাযোগের জন্যে খুব জরুরি এবং এই সম্পর্কের উপর ভর করেই আমরা আমেরিকানদের পাশাপাশি যুদ্ধ করেছি, আমাদের মূল্যবোধের জন্যে।’ তা যতই রাগ করুক আর কড়া প্রতিবাদ করুক, ট্রাম্পকে বেশি খেপানো ঠিক হবে না এই ভেবে কিনা জানিনে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার্ক। ফোনালাপে তিনি ট্রাম্পকে আফগানিস্তানযুদ্ধে মার্কিন ও ব্রিটিশ সেনাসদস্যদের বীরত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, এদের অনেকেই ফিরে আসেনি। এরপর ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্রিটিশ সেনাদের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘তারা ছিলেন সকল যোদ্ধাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট।’

 

৩.গ্রিনল্যান্ড ঘিরে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলি যখন একাট্টা হয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন তখন ট্রাম্প ন্যাটো-ভুক্ত কয়েকটি দেশের উপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করার হুমকি দেন। তীব্র প্রতিবাদ দেখা দেয় ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে। বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য বন্ধুর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন আচঁরণ দীর্ঘদিনের সম্পর্কে অবিশ্বাস ও ফাঁটল দেখা দেয়। ফ্রান্স, ব্রিটেন, জার্মানিসহ ন্যাটোর শক্তিশালী দেশগুলির নেতৃবৃন্দ দেরিতে হলেও অনুধাবন করতে সক্ষম হন যে, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমেরিকার উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করা সমীচীন হবেনা। ইউরোপকে সামরিক সক্ষমতায় আরো অধিকতর শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে হবে। এই নিয়ে দুদিন আগে তারা ন্যাটোর হেডকোয়ার্টার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসসে মিলিত হয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া যায় সে বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন বলে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়। এদিকে ন্যাটোকে কটাক্ষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ন্যাটো-সেক্রেটারি মার্ক রুতে পড়েন সমালোচনার মুখে। ইউরোপের নিরাপত্তা ও শক্তিশালী ন্যাটো গড়ে তোলার দায়িত্বে হল্যান্ডের তিন তিনবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া এই ডাচ রাজনীতিবিদ ইতিমধ্যে ট্রাম্পের ‘তোষামোদকারী’ হিসাবে চিহ্নিত ও সমালোচিত। তবে ধারণা করা হয়, কোন কাজ বাগিয়ে নেবার ক্ষেত্রে তিনি ‘পটু’। সেই কাজটি তিনি করলেন সুইজারল্যান্ডের দাভোসে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ২০০১ সালে নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার পর ন্যাটোর পারস্পরিক ‘প্রতিরক্ষা ধারাটি’ (ডিফেন্স ক্লস) প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার ফলে জোটভুক্ত দেশগুলি আফগানিস্তানের যুদ্ধে তাদের সৈন্য পাঠিয়েছিল। দুজনের মধ্যে কী আলাপ আলোচনা হয়েছিল তা বিস্তারিত জানা না গেলেও খানিক বাদে ট্রাম্প ইউরোপের উপর শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে আসেন এই বলে, ন্যাটোপ্রধান মার্ক রুতের সাথে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তার নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক মন্তব্যে তিনি জানান, ‘‘সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অনুষ্ঠিত আলোচনার ভিত্তিতে মার্কিন ও ন্যাটোর প্রতিনিধিরা গ্রীনল্যান্ড ও প্রকৃতপক্ষে গোটা আর্কটিক অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত ‘ভবিষ্যতের চুক্তির কাঠামো’ তৈরি করেছেন। এই বোঝাপড়ার ভিত্তিতে আমি পয়লা ফেব্রæয়ারি থেকে যে শুল্ক কার্যকর করার কথা ছিল তা করবো না।’’ পরে তিনি সিএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি শুল্কের হুমকি তুলে নিয়েছেন কারণ ‘‘আমরা চুক্তির মোটামুটি একটি কনসেপ্ট পেয়েছি’, যা ‘একটু জটিল’ এবং ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি খুব ভালো চুক্তি’। যার সাথে নিরাপত্তা, দুর্দান্ত নিরাপত্তা, শক্তিশালী নিরাপত্তা (সিকিউরিটি, গ্রেট সিকিউরিটি, স্ট্রং সিকিউরিটি) এবং অন্যান্য বিষয় জড়িত।’’ তবে তিনি যে চুক্তির কাঠামোর কথা বললেন, তার রূপরেখা কী হবে এই সম্পর্কে কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি।

 

৪.এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন হলো-ট্রাম্পের এই আশ্বাসে কতটুকু আশ্বস্ত ইউরোপ! কেননা দেখা গেছে তার মতের ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হয়। তবে এ কথা বলতেই হয় যে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা গোটা ইউরোপে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। তা না হলে এর নেতিবাচক প্রভাব কেবল ইউরোপ নয়, আমেরিকাসহ গোটাবিশ্বে পড়তো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তার দ্বিতীয় মেয়াদে বিভিন্ন সময়ে নানা অনুষ্ঠানে, এমন কী ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে ন্যাটো ও এর সদস্যদেশগুলির সমালোচনা করতে দেখা যায়। অতলান্তিক উভয় পাড়ে আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক দশকের পর দশক ধরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির দিকে পরিচালিত করলেও কেউ কেউ এই সু-সুম্পর্ক বজায় রাখাকে একটি ‘অবাস্তব বিষয়’ দেখে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ধরা পরে ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের গেলবছর দেয়া একবক্তব্যে। জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ইউরোপীয় নিরাপত্তার জন্যে সবচাইতে বড় হুমকি চীন কিংবা রাশিয়া নয়, বরং ‘এই হুমকি ভেতর থেকে’, যা তিনি কিছু মৌলিক মূল্যবোধ থেকে ইউরোপের পশ্চাদপসারণ হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ করে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় থাকাকালীন বর্তমান সময়ে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্ক মন্দের দিকে পরিবর্তিত হচ্ছে। মার্কিন নেতৃত্ব মনে করেন, তারা কেন সেই অতলান্তিকের পার থেকে এতদূরে এসে ইউরোপকে রক্ষা করবে। আমেরিকা কেন একা ন্যাটোর সিংহভাগ ব্যয় বহন করবে। তারা এও মনে করেন এতদিন ধরে আমেরিকার ইউরোপের জন্যে অনেক করেছে, এখন সময় এসেছে ইউরোপ তার কিছু ফিরিয়ে দেবার। সেই কথাটাই বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, গ্রীনল্যান্ডকে নিয়ে। কারো কারো মতে, ট্রাম্পের এই দাবিকে একেবারে উড়িয়ে দেবার নয়। যাই হোক, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বশান্তির জন্যে তথা ‘ওয়ার্ল্ড অর্ডারের’ জন্যে ভাঙ্গনের পথে না গিয়ে এখন জরুরি প্রয়োজন কী করে ‘ন্যাটোকে’ আরো বেশি শক্তিশালী করে তোলা যায় সে বিষয় নিয়ে চিন্তা করা এবং এই লক্ষ্যে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া। 

 

পূর্বকোণ/ইবনুর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট