চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

সর্বশেষ:

জঙ্গল সলিমপুরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে: র‍্যাব ডিজি

জঙ্গল সলিমপুরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে: র‍্যাব ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৫:৫০ অপরাহ্ণ

জঙ্গল সলিমপুর একটি সন্ত্রাসীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। খুব শিগগিরই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেখানে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছে, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা রয়েছে, তাদের নির্মূল করা হবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় র‌্যাব-৭ এর প্রধান কার্যালয়ে হামলায় নিহত র‌্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনের জানাজা শেষে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে মোতালেব হোসেনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

 

র‌্যাব ডিজি বলেন, সুবেদার মোতালেব শহীদ হয়েছেন। যারা এ ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের আমরা অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে যেন তাদের শাস্তি নিশ্চিত হয়, সেটি যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

 

তিনি বলেন, নায়েব সুবেদার মোতালেব শহীদ হওয়ার ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি মামলা করা হবে। এর বিচারিক কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য থেকে মুক্ত করা হবে। ২০০৪ সালে র‍্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৭৫ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। নায়েব সুবেদার মোতালেবের শাহাদাতে সেই সংখ্যা আরও একজন বেড়েছে। যেকোনো ঝুঁকি নিয়েও বাহিনীর সদস্যরা দেশের নিরাপত্তায় কাজ করে যাবেন।

 

অভিযানকালে গুলি না চালানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী আমাদের আত্মরক্ষার অধিকার ছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং সাধারণ মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কায় র‌্যাব সদস্যরা গুলি চালাননি। সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে সাধারণ জনগণ আহত বা নিহত হতে পারতো। অভিযানে প্রায় ৫০ জনের বেশি সদস্য ছিলেন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে অভিযানের কৌশল আরও উন্নত করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীদের এই অভয়ারণ্য উচ্ছেদে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, এপিবিএন, জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে যত সময়ই লাগুক, সন্ত্রাসীদের এই আস্তানা নির্মূল করা হবে। কারণ কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীই রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী নয়।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট