চট্টগ্রাম শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

সর্বশেষ:

রাজশাহীকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম

অনলাইন ডেস্ক

৯ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৯:৩৬ অপরাহ্ণ

বিপিএলে স্নায়ু ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন হাসান নওয়াজ। শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ বল পর্যন্ত গড়ানো লো-স্কোরিং থ্রিলারে শেষ হাসি হেসেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। নওয়াজের ৩৬ বলে অপরাজিত ৩৫ রানে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে দুই উইকেটে হারিয়েছে তারা। নওয়াজের দায়িত্বশীল ইনিংসে ছিল মাত্র দুটি চার। 

 

এই জয়ে সাত ম্যাচে পাঁচটি জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম। অন্যদিকে ছয় ম্যাচে চার জয়ে চতুর্থ স্থানেই রয়েছে রাজশাহী। ১২৯ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম। প্রথম পাঁচ ওভারেই ২৮ রানে চার উইকেট হারায় দলটি। সেখান থেকে ইনিংস গুছিয়ে নেন হাসান নওয়াজ। অধিনায়ক মেহেদী হাসানের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন তিনি। মেহেদী খেলেন ২৫ বলে ২৮ রানের ইনিংস। পরে পাকিস্তানি সতীর্থ আসিফ আলির সঙ্গে যোগ করেন আরও ৩৫ রান। আসিফ করেন ২৫ বলে ২৭ রান।

রাজশাহীর পেসার তানজিম হাসান সাকিব ১৯তম ওভারে দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র তিন রান দেন এবং বিদায় দেন আবু হায়দারকেও । তাতে শেষ ওভারে ম্যাচ জমে ওঠে। চট্টগ্রামের জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ১০ রান। মূল বোলারদের কোটা শেষ হয়ে যাওয়ায় শেষ ওভারের দায়িত্ব পান অফস্পিনার এস এম মেহেরব হাসান। আগের দুই ওভারে ১৫ রানে দুটি উইকেট নেওয়া মেহেরবের বিপক্ষে প্রথম তিন বলেই বাউন্ডারিসহ আট রান তুলে নিয়েছিলেন নওয়াজ। তার পর সমীকরণ নেমে আসে তিন বলে দুই রানে। টানা দুইটি ডট বল করেন মেহেরব। কিন্তু শেষ বলে আর শেষ রক্ষা হয়নি। লং-অফের দিকে বল ঠেলে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন নওয়াজ। তাতে ৮ উইকেট হারিয়ে নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।

রাজশাহীর হয়ে বল হাতে সেরা ছিলেন বিনুরা ফার্নান্দো। তিনি ১৮ রানে তিনটি উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল রাজশাহী। নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকা দলটি ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১২৮ রান। মুহাম্মদ ওয়াসিম ও মেহেরব হাসান দুজনেই সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন।চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে আমের জামাল ২৩ রানে নেন তিনটি উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম দুজনই দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

 

পূর্বকোণ/আরআর/পারভেজ

শেয়ার করুন