চট্টগ্রাম বুধবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের ২৫ প্রার্থী কোটিপতি
ফাইল ছবি

হলফনামা বিশ্লেষণ

চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের ২৫ প্রার্থী কোটিপতি

৪ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বিভিন্ন দলের ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই প্রধান দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীও রয়েছেন। বিএনপি ১৬ আসনে ১৭ জনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে।

 

অপরদিকে, জামায়াত ১৪টি আসনে দলীয় প্রার্থী দিয়েছে। দুটি আসনে জোট-সমর্থিত প্রার্থীদের ছাড় দিয়েছে দলটি। দুই দলের ৩১ প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করেছে দৈনিক পূর্বকোণ। তাদের মধ্যে ২৫ প্রার্থীর কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির ১৬ ও জামায়াতের নয়জন প্রার্থী রয়েছেন।

 


বিএনপি

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১৭ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় আয় ও সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের প্রার্থী নুরুল আমিন ছাড়া বাকি ১৬ প্রার্থীরই কোটি টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে।

 

তবে সবচেয়ে সম্পদশালী ও ধনী প্রার্থী হচ্ছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরের একাংশ) আসনের মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। তার বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ ৪২ হাজার ৫৪৩ টাকা। তার কাছে অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২৬ কোটি ১৬ লাখ ৭৭ হাজার টাকার। এছাড়া স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১২ কোটি ৩২ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকার এবং মেয়ের কাছে আছে চার কোটি ৬৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার।

 

আসলাম চৌধুরীর কাছে থাকা স্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৪৩০ কোটি ৭৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। স্ত্রীর কাছে রয়েছে ছয় কোটি ১০ লাখ ৯১ হাজার ৪০০ টাকার স্থাবর সম্পদ। তার ঋণের পরিমাণও বেশি। ৫টি ব্যাংকে তার ৩৪৫ কোটি ৫১ লাখ ৬৩ হাজার ২৬৯ টাকার ঋণ রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।

 

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী নির্বাচন করছেন চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে। এ প্রার্থীর বার্ষিক আয় এক কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২৪ টাকা। আমীর খসরুর নিজ নামে অস্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য নয় কোটি পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকা। বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ১২ কোটি ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা।

 

স্ত্রীর নামে অস্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য তিন কোটি ৫৪ লাখ ৭০ হাজার ৮৪৭ টাকা। যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য চার কোটি দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিজের নামে থাকা স্থাবর সম্পদের বর্তমানে আনুমানিক মূল্য দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য এক কোটি ৩৬ লাখ ২২ হাজার চার টাকা। বর্তমান আনুমানিক মূল্য দুই কোটি ৯০ লাখ টাকা।

 

চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-খুলশী-ডবলমুরিং) আসনের প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের বার্ষিক আয় এক কোটি দুই লাখ ৮১ হাজার ৩৫০ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯৫ হাজার ১৬ টাকা। স্ত্রীর নামে সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা। সাঈদ নোমানের স্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার ৯৩২ টাকা।

 

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের বার্ষিক আয় ৫৭ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪৪ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে বর্তমানে তিন কোটি টাকার। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ১০ কোটি টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের বার্ষিক আয় ৪০ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৩ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি ৫২ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। তার স্থাবর সম্পদ রয়েছে ২০ কোটি ৭০ লাখ হাজার টাকা।

 

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার বার্ষিক আয় আট লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা। তার কাছে অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৭৮ লাখ ৮৭ হাজার ২২ টাকার। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ছয় কোটি টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপি দুই প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। তারা হলেন- গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খোন্দকার। গিয়াস উদ্দিন কাদেরের বার্ষিক আয় ৩১ লাখ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২১ কোটি ৩১ লাখ ছয় হাজার ৬১ টাকার; স্ত্রীর কাছে রয়েছে সাত কোটি ৪৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৮৮ টাকার। গিয়াস কাদেরের স্থাবর সম্পদ রয়েছে চার কোটি ৪৮ লাখ ৩৮ হাজার ৩৬ টাকার। এ আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী গোলাম আকবর খোন্দকারের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ ৪৫ হাজার ৬২৪ টাকা। তার কাছে অস্থাবর সম্পদ রয়েছে দুই কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার ১৬০ টাকার। স্থাবর সম্পদ আছে ৩৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকার। স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরীর বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৬২ টাকা। তার কাছে থাকা অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮১ লাখ ৯০ হাজার ২৫৯ টাকার। তার স্ত্রীর রয়েছে ৩৬ কোটি ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫১১ টাকার। হুমামের স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ রয়েছে সাত কোটি ছয় লাখ ৬৬ হাজার টাকার। ঢাকা ও চট্টগ্রামে তাদের স্থাবর সম্পদ রয়েছে যৌথ মালিকানা সম্পদ রয়েছে ১১ কোটি ২৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৬ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর বার্ষিক আয় ৪৪ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩৮ টাকা। তার কাছে থাকা অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ১২ কোটি ছয় লাখ ৮৫ হাজার ৭৩৫ টাকা ও স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ছয় কোটি ৬১ লাখ ৪৯ হাজার ৮১১ টাকা।

 

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ানের বার্ষিক আয় আট লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নামে থাকা অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য এক কোটি ৩৮ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পদের বর্তমানে আনুমানিক মূল্য তিন কোটি টাকা। স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের মূল্য এক কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

 

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের প্রার্থী এনামুল হকের বার্ষিক ৮১ লাখ ৭৮ হাজার ৬২২ টাকা। তার কাছে অস্থাবর সম্পদ রয়েছে দুই কোটি ৫৬ লাখ ৬১ হাজার ১৮৯ টাকার। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৪২ কোটি তিন লাখ চার হাজার ৩১৪ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনের প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজামের বার্ষিক আয় ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪৪ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দুই কোটি ৫৭ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬ টাকা। স্থাবর সম্পদ রয়েছে তিন কোটি ৮৩ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকার। স্ত্রীর রয়েছে সাত কোটি ৮৩ লাখ ১৩ হাজার ৭৫০ টাকার। প্রার্থীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ছয় কোটি ৪১ লাখ পাঁচ হাজার ৩৭৬ টাকার। স্ত্রী নাজনীন নিজামের রয়েছে নয় কোটি ১৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭০৫ টাকার সম্পদ।

 

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনের প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ পেশায় ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় দুই কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৩৬ টাকা। অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ১৫ কোটি ৯২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৬৩ টাকা। আর স্ত্রীর নামে সম্পদের অর্জনকালীন ও বর্তমান মূল্য উল্লেখ করেছেন ৭৩ লাখ সাত হাজার ৩০০ টাকা। জসিমের কাছে থাকা স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন ও বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ২৪ কোটি ৬৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫০ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমীনের বার্ষিক আয় ছয় লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৫ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে বর্তমান সম্পদের আনুমানিক মূল্য তিন কোটি টাকা। ছেলের বর্তমান সম্পদের আনুমানিক মূল্য চার কোটি ২১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩২ টাকা। নাজমুল মোস্তফার নামে স্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ টাকা। স্ত্রীর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য এক কোটি ২০ লাখ টাকা।

 

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পার বার্ষিক আয় ১৯ লাখ ছয় হাজার টাকা। তার স্থাবর সম্পদ রয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকার। তার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৪০ লাখ ২৮ হাজার ৬৬৯ টাকার। স্ত্রীর রয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার।

 


জামায়াতে ইসলামী

তাসনীম হাসান

 

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। বাকি দুটি আসনে জোটের প্রার্থীদের ছাড় দিয়েছে দলটি। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় দেখা যায়, জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে নয়জন কোটিপতি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

 

জামায়াতের কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে নয় প্রার্থীর। তারা হলেন- চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের মুহাম্মদ আলা উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনের ডা. আবু নাছের, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনের ডা. ফজলুল হক, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের ডা. এটিএম রেজাউল করিম, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের ডা. ফরিদুল আলম, চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-ডবলমুরিং-খুলশি) আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের মাহাম্মদ শফিউল আলম ও চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

 

জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে শাহজাহান চৌধুরীরই অতীতে সংসদ সদস্য হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পেশায় ব্যবসায়ী এই নেতার হাতে নগদ এক কোটি ৩৪ লাখ ৩৭ হাজার ২৫২ টাকা রয়েছে। শাহজাহান চৌধুরীর বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬১ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৪০ লাখ টাকার সম্পদ। শাহজাহান চৌধুরীর স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৫০ লাখ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীন। উত্তর জেলা শাখার আমির তিনি। তার বার্ষিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ২৩ লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ টাকার। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৪৩ লাখ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হকের বার্ষিক আয় ১৯ লাখ ৭১ হাজার ২৪৬ টাকা। তার কাছে স্থাবর সম্পদ আছে দুই কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার ২৯০ টাকার। আর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে চার কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৬১৫ টাকার। তার স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ আছে দুই কোটি ১৬ লাখ ২২ হাজার ২৪৯ টাকা। স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের স্থাবর সম্পদ রয়েছে দুই কোটি ৪৮ লাখ দুই হাজার ৫৫২ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমের নগদ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ও বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে তিন কোটি দুই লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা। তার ব্যাংকে জমা রয়েছে এক কোটি ৯৮ লাখ ৮৩ হাজার ৮৩১ টাকা। প্রায় পাঁচ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে এই প্রার্থীর।

 

এটিএম রেজাউল করিম চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী। এই প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ৫০৭ টাকা। এছাড়া অস্থাবর সম্পদ রয়েছে তিন কোটি ৫০ লাখ টাকার; স্ত্রীর রয়েছে এক কোটি টাকার। স্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ২০ লাখ টাকার; স্ত্রীর রয়েছে এক কোটি ৪৪ লাখ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী ডা. আবু নাছেরের বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৪ টাকা। এ প্রার্থীর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৩২ লাখ দুই হাজার ১০১ টাকার; স্ত্রীর রয়েছে এক কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮০৩ টাকার। নাছেরের স্থাবর সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৩২ লাখ ২ হাজার ১০১ টাকার; স্ত্রীর রয়েছে এক কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮০৩ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী পেশায় ব্যবসায়ী। তার বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৩২ হাজার ৭২৩ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৯২ টাকার। হেলালীর স্থাবর সম্পদও রয়েছে প্রায় কাছাকাছি, ৭৬ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬০ টাকার। সবমিলিয়ে তার এক কোটি ৫৫ লাখ ৯১ হাজার ৬৫২ টাকার সম্পদ রয়েছে।

 

চট্টগ্রাম-১১ আসনের মোহাম্মদ শফিউল আলমও কোটিপতি। তার বার্ষিক আয় ১৪ লাখ ৩০ হাজার ২৩০ টাকা। এই প্রার্থীর অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ২৩০ টাকার; আর স্থাবর সম্পদ আছে ৫১ লাখ টাকার। সবমিলিয়ে তার সম্পদ রয়েছে এক কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার ২৩০ টাকার।

 

চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম একসময় ব্যবসা করলেও এখন শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৬ টাকা। ২৭ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে এই প্রার্থীর নামে; তবে স্ত্রীর নামে রয়েছে তার দ্বিগুণ সম্পদ, ৬০ লাখ টাকার। জহিরুলের এক কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে; ২০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ আছে তার স্ত্রীর নামে।

 

পূর্বকোণ/ইবনুর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট