চট্টগ্রাম শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬

সর্বশেষ:

ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্ক

২৯ আগস্ট, ২০২৫ | ১:১৮ অপরাহ্ণ

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত ৮টা ১০ মিনিটে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

 

বিজিবির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে অবৈধভাবে ভারত অনুপ্রবেশের সময় হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে সাতক্ষীরা, খুলনা ও পিরোজপুর জেলার পুরুষ, নারী ও শিশুসহ মোট ১৫ জন ছিল। পরদিন বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর দিবাজ্যোতি ডলি এবং বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবির তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার আবুল কাশেমের উপস্থিতিতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়। পরে বিজিবির একটি টহলদল আটককৃতদের নিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করেন।

 

আটককৃতরা হলেন- সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার কালিঞ্চি গোলাখালী এলাকার মিকাইল মোল্লার স্ত্রী নাজমা বিবি (৩৩), মেয়ে মাহেরা আক্তার (০৬), ছেলে নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মেয়ে মিনা (১৩), পশ্চিম কৈখালী গ্রামের আব্দুর রব সরদারের ছেলে সেকেন্দার হোসেন (৩৩), নকিপুর গ্রামের কালাচাঁদ গাজীর ছেলে আব্দুল্লা গাজী (৩৮), যোগেন্দ্রনগর গ্রামের সুজাত আলী গাজীর মেয়ে ঝর্ণা খাতুন (৩৮), নওয়াবেঁকীর পূর্ব বিড়ালক্ষী গ্রামের আবিয়ার রহমান শেখের মেয়ে মাহফুজা খাতুন (৩৪), মেয়ে তানিয়া সুলতানা (১০), ছেলে মাহফুজ রহমান (২)। পিরোজপুর জেলার খানাকুনিয়ারী গ্রামের এছাহাক মোল্লার ছেলে রুহুল আমিন (৪০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫), মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (০৭), খুলনার বাটিয়াঘাটা কৃষ্ণনগর জলমা এলাকার মৃত জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪৪), মেয়ে হাসিনা খাতুন (১০)।

 

এ বিষয়ে তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আবুল কাশেম ২৮ আগস্ট সাতক্ষীরা সদর থানার সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

 

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, বিএসএফের হাতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবি থানায় হস্তান্তর করেছে। আটক ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় তথ্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বৈধ অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।

 

পূর্বকোণ/ইবনুর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট