চট্টগ্রাম সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৩

সর্বশেষ:

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ পুরস্কার পেলেন কক্সবাজার পুলিশের এডিসি জসিম

বিজ্ঞপ্তি

১৯ অক্টোবর, ২০২৩ | ২:২৩ অপরাহ্ণ

‘স্মার্ট বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২৩’-এ ভূষিত হলেন কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী (পিপিএম)।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পুরস্কার প্রাপ্ত জসিম উদ্দিন ছাড়াও জাতীয় পর্যায় ক্যাটাগরিতে পুরস্কারে ভূষিত হলেন পুলিশের আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এ অনুষ্ঠানে জাতীয় ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৪১ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

দেশের জনগণকে সহজ ও দ্রুততম সময়ে অনলাইন সেবা দেওয়া এবং অতি সম্প্রতি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটে ডিজিটাল সিগনেচার সংযুক্ত করার মাধ্যমে পেপারলেস সার্টিফিকেট দেওয়ার মতো ইনোভেটিভ আইডিয়া চালু করায় বাংলাদেশ পুলিশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২৩’ দেওয়া হয়েছে। ‘সাধারণ: সরকারি (শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান)’ ক্যাটাগরিতে এ ভূষিত পেলো পুলিশ বাহিনী।

মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে। ৩০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করেন। প্রায় এক বছর ধরে কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, কক্সবাজারে ট্রাফিক বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে যানবাহন চালকদের স্মার্ট ডাটাবেস ‘কক্স-ক্যাব’ উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জসিম উদ্দীন চৌধুর। নিরাপদ ও পর্যটন-বান্ধব ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রবর্তনের লক্ষ্যে কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগের ‘কক্স-ক্যাব’ উদ্যোগটির বেশ সাড়া পেলেছে। সেখানে ইতোমধ্যে সাড়ে ৩ হাজার যানবাহন চালকদের ছবি সহ বিস্তারিত তথ্য স্মার্ট ডাটাবেস তৈরি করা হয়।

তিন হাজার ৩০০ চালকদের কক্স-ক্যাবের লোগো সম্বলিত ভেস্ট (পোশাক) বিতরণ করা হয়। তার মধ্যে আড়াই হাজার চালকদের স্মার্টকার্ড প্রদান করা হয়। স্মার্টকার্ডে চালকের ছবিসহ পাশে কিউআর কোড রয়েছে। কোডটি স্ক্যান করলে মোবাইলে চালকের ছবি, বিস্তারিত গাড়ির তথ্য পাওয়া যাবে।

এছাড়া স্মার্ট কার্ডে ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিউটি অফিসার, পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর রয়েছে। কক্সবাজারে সকল হোটেল-মোটেল-রিসোর্টের তথ্য, ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টের তথ্য, পর্যটন স্পট সমূহের তথ্য, যানবাহনের নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা কক্স-ক্যাবের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। যে কোনো যাত্রী বা পর্যটক হয়রানির শিকার হলে সহজে অভিযোগ জানাতে পারবেন বা সহযোগিতা চাইতে পারবেন। একই সঙ্গে পর্যটকদের সুবিধার্থে কক্স-ক্যাব ডাটাবেসে সংযোজিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ ট্যুরিস্ট গাইডও তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে, কক্স-ক্যাব উদ্যোগটি চালু হবার পর কক্সবাজার শহরে পর্যটক হয়রানি, ছিনতাই, চুরি অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। পর্যটকদের মধ্যে এক ধরনের নিরাপদ বোধ সৃষ্টি হয়েছে।

‍পূর্বকোণ/এএইচ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট