চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩

সর্বশেষ:

৭ ডিসেম্বর, ২০২২ | ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ

কক্সবাজার প্রতিনিধি

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে কক্সবাজারের চিত্র

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা তিন মেয়াদে ৯ম বারের মতো কক্সবাজার আসছেন আজ (বুধবার)। কক্সবাজারের উন্নয়নে গেলো ১৪ বছরে নেয়া হয়েছে ৭৭ টি প্রকল্প। যারমধ্যে ১৭ টি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কক্সাবাজারের চেহেরাই পাল্টে যাবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা। কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলা গেলো ১ যুগে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে।

 

উল্লেখযোগ্য প্রকল্প :
১২ শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে নির্মাণ হচ্ছে মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৫১ হাজার ৮ শ ৫৪. ৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শেষ হচ্ছে আগামী বছর। ২০২৪ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে এ প্রকল্প, বলছেন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান। সেই সাথে মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দরে ইতোমধ্যে ভিড়েছে ১২০ টি জাহাজ।

 

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীতকরণের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। সাগরের নীল জলের উপরেই নামবে উড়োজাহাজ। ২০২৩ সালেই কাজ শেষ হবে এমনটাই আশাবাদ প্রকল্প পরিচালক ইউনুছ ভূঁইয়ার।

 

এছাড়া বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় সাগরতীরের জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্যে বিশ্বের প্রথম ও বৃহত্তম আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে খুরুস্কুলে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মাণাধীন ১৩৯ টি ভবনে ৪ হাজার ৪ শ ৯ পরিবারকে একটি করে ফ্ল্যাট দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্মিত ২০ টি ভবনে ৬০০ পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে ফ্ল্যাট। ২০২৩ সালে আলোর মুখ দেখবে, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন প্রকল্প। রেললাইন প্রকল্পের পি ডি মুফিজুর রহমান জানিয়েছেন, ঝিনুকের আদলে আইকনিক স্টেশনসহ রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা।

 

সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে কক্সবাজার শহরের লিংকরোড থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত ২ শ ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে চারলেনের সড়ক। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ২শ ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে প্রধান সড়ক। কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যোগে সাড়ে তিন শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে শহরের উপসড়ক নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। ফলে পর্যটন নগরীর চেহেরাই পাল্টে গেছে।

 

রামুর জোয়ারিয়ানালায় বিকেএসপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কাজও শেষ পর্যায়ে। কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উন্নয়নসহ ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নৌকার আদলে তিনটি স্টেডিয়াম ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

 

খুরুস্কুলের বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ কাজ চলমান। অন্যদিকে টেকনাফের সাবরাং ও জালিয়ারদ্বীপে ট্যুরিজম পার্ক নামের পর্যটন অর্থনৈতিক অঞ্চল। দ্বীপ কুতুবদিয়ায় ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ। ইতোমধ্যে নয়নাভিরাম মেরিন ড্রাইভের বাকি অংশের কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

 

পূর্বকোণ/আর

 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট