চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

৫ আগস্ট, ২০২২ | ৮:৫২ অপরাহ্ণ

এএম হোবাইব সজীব, মহেশখালী

ধানি জমিতে কলা চাষে বিপ্লব রমিজের

ধানি জমিতে কলা চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের চাষি রমিজ উদ্দিন। বাণিজ্যিকভাবে কলা চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন। তুলনামূলক কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় কলা চাষে ঝুঁকেছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ৭ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে কলা চাষ হয়েছে। উপজেলার জনতাবাজার-গোরকঘাটা প্রধান সড়কের হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়া গ্রামের পশ্চিম বিলে ঘুরে কলার ব্যাপক আবাদ চোখে পড়ে। এই গ্রামীণ মেঠো পথের রাস্তার পাশে সারি সারি কলার গাছে ঝুলছে কলার কাঁদি।

রমিজ উদ্দিনের বয়স ৫০ বছর। বাড়ি উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়া গ্রামে। পিতা মরহুম গোলাম কাদের। দুই ছেলে দুই মেয়ে সন্তানসহ ৬ সদস্যের পরিবার তার। দীর্ঘদিন ধরে পান বরজে অর্থকষ্ট দূর না হওয়ায় বাড়ির কয়েক কিলোমিটার দূরত্বে ১৫০ কড়া জমিতে সাগরি কলার বাগান করার মাধ্যমে রমিজ উদ্দিনের সংসারে এসেছে আর্থিক সচ্ছলতা। কলাচাষে বিপ্লব ঘটিয়ে এলাকায় একজন সফল কলাচাষী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তার কলা বাগান দেখতে বা পাইকারি দামে কলা ক্রয় করতে ছুটে আসছেন ব্যবসায়ীরা। বেচাবিক্রি চলছে পুরোদমে।

রমিজ উদ্দিন জানান, জমি বর্গা নিয়ে কলা চাষ শুরু করেছেন। বর্তমানে তার কলাবাগানে ৭ শ’র মতো কলার কাঁদি রয়েছে। বাকিগুলোতে কাঁদি আসতে শুরু করেছে।

প্রতিটি চারার মূল্য গুণগত মান অনুসারে ৩০-৪০ টাকা। চারা লাগানোর ৯ থেকে ১২ মাসের মধ্যে কলা পাওয়া যায়। জমিতে প্রথমবার চারা কলাগাছ রোপণ করলে ওই কলা গাছ থেকে বংশবৃদ্ধির ফলে ৩-৪ বছর নতুন করে কোন কলাগাছ রোপণ করতে হয় না। বরং প্রতিটি মা গাছ থেকে ৪/৫টি করে জন্মানো চারা গাছ বিক্রি করা যায়। এভাবে দেড় লক্ষ টাকা খরচে গড়া বাগানের কলা বিক্রি করে বছরে সাড়ে ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন বলে আশা করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম পূর্বকোণকে বলেন, মহেশখালী কলা চাষের জন্য উপযোগী স্থান।

 

পূর্বকোণ/সাফা/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট