চট্টগ্রাম সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

২৪ অক্টোবর, ২০২২ | ১:৪০ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

সিত্রাংয়ের প্রভাব বেশি হতে পারে ৩ কারণে

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের মূল শরীর এখনো দূরে থাকলেও তিনটি কারণে এর প্রভাব বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কারণগুলো হলো- ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ, অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সিত্রাংয়ের প্রভাবে প্রায় সারাদেশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল মান্নান বলেন, সিত্রাং বড় আকারের ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব অনেক বেশি হতে পারে। এজন্য তিনটি কারণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। প্রথমত, সিত্রাংয়ের অগ্রবর্তী অংশের আচরণ দেখে ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য প্রবল প্রভাবের বিষয়টি আঁচ করা যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির মূল শরীর এখনো দূরে আছে। যখন মূল শরীর সামনের দিকে আসবে, তখন পরিস্থিতি আরও নাজুক হতে পারে।

 

দ্বিতীয়ত, ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানার সময় অমাবস্যা থাকবে। অমাবস্যার সময় চন্দ্র ও সূর্য একই দিক থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। যার কারণে পৃথিবীর বুকে যে জলভাগ আছে, তার ওপর অতিরিক্ত আকর্ষণ তৈরি হয়। এতে জলভাগ উত্তাল হয়ে পড়ে।

তৃতীয়ত, এবার বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য লক্ষ করা যাচ্ছে। এ কারণে এবারের পরিস্থিতি অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে একধরনের চাপ সৃষ্টি হয়, যা জলভাগের ওপর চাপ তৈরি করে।

 

আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় ৫-৮ ফুটের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এখন বাংলাদেশ উপকূলমুখী। ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার সকাল আটটা নাগাদ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে; কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে; মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট