চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই, ২০২২

সর্বশেষ:

২৮ মে, ২০২২ | ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

আগামী বছরের শুরুতেই সেতুর কাজ শুরু !

সেকান্দর আলম বাবর 

চট্টগ্রামের তিনদিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে রেল সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর গতকাল শুক্রবার কালুরঘাট সেতু পরিদর্শন করেন। বিকেল ৫ টায় তিনি তার গাড়ি বহর নিয়ে পশ্চিম পাড় থেকে পূর্বপাড়ে আসেন। পূর্বপাড়ে সিগন্যাল বক্সের সামনে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের থেকে নুতন সেতুর ডিজাইন, উচ্চতা নিয়ে জটিলতা, বর্তমান পরিস্থিতি জানতে চান। পরে সাংবাদিকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কালুরঘাট ব্রিজের ফান্ড এর ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেয়েছি। কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক এটিতে ফান্ডিং করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সেতু নিয়ে গত বুধবারও সভায় আলোচনা হয়েছে। এটা কোন কোন টার্মস এন্ড কন্ডিশনে হবে তা ফাইনালাজিং হয়নি। তবে এটা হবে। আমরা সহসা এটা চাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা চেয়েছিলাম এবছরের মধ্যেই ফাইনালাইজড হয়ে যাবে। বলতে পারি, চুক্তি, শর্ত, ইন্টারেস্টের শর্ত এবছরেই শেষ হবে। সুতরাং আগামী বছরের শুরুতেই সেতুর কাজ শুরু হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুরোনো সেতুটিতে রেল আরো দ্রুত গতিতে কিভাবে চালানো যায়, তা খতিয়ে দেখে সক্ষমতা বাড়াতে আমরা বুয়েটের সাথে চুক্তি করতে যাচ্ছি। ওটাও চ‚ড়ান্ত পর্যায়ে আছে। বুয়েট এ কাজের জন্য চেয়েছে ১২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। আগামী বৈঠকে তা চূড়ান্ত হবে। তিনি বলেন, আমাদের এ মুহুর্তের কনসার্ন হচ্ছে, কিভাবে টেম্পরারি কক্সবাজার পর্যন্ত রেল গেলে এ সেতুকে ব্যবহার যায়। এটিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি বলেই, আজকে এখানে এসেছি। কত সালের মধ্যে কক্সবাজার রেললাইন চালু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা টার্গেট নিয়ে আছি, আগামী নির্বাচনের আগেই কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু করব। তিনি বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ২ বছর মেয়াদ বাড়ানোর আবদনে প্রকল্প মেয়াদ বেড়েছে ২ বছর। সুতরাং ২০২৪ সালে কক্সবাজার রেল লাইন চালু হবে। তবে আমরা ২৩ সালের ৩০ জুনকে টার্গেট নিয়ে কাজ করছি। আমাদের কক্সবাজারের দিকে সত্তর ভাগের কাছাকাছি কাজ হয়ে গেছে, শহরের দিকে বর্ষার মৌসুমে কাজ একটু পেছনে আছে। ঠিকাদারকে চাপ দিচ্ছি আগামী শীত মৌসুমে শেষ করে ট্যাকের কাজ শুরু করা যায়। রেল সেতু পরিদর্শনের সময় রেলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সাথে ছিলেন।
এদিকে, সচিব আসার খবরে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয় সেতুর রেলিংয়ে রং লাগানে, কাঠের পাটাতনগুলোকে কোনো রকমে তার দিয়ে বেঁধে দেয়ার কাজ। এজন্য জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সেতু বন্ধ রাখা হয়। তারপরও গতকাল শুক্রবার সচিব আসার আগ পর্যন্ত ব্রিজে কাজ করতে দেখা যায়। সচিব চলে গেলে, অনেক কাজ বাকী থাকার পরও শ্রমিকরা চলে যায়। 

পূর্বকোণ/এস  

শেয়ার করুন