চট্টগ্রাম বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ | ১২:৪২ পূর্বাহ্ন

স্পোর্টস ডেস্ক

লাল বলে সাকিবকে মিস করবে বাংলাদেশ!

অবাক করা সত্য, ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের মতো তার টেস্ট পরিসংখ্যানও আহামরি নয়। কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে ৬ ম্যাচে মাত্র ৬২ রান, সর্বোচ্চ ২২। আর বল হাতে উইকেট মাত্র ৪টি, সেরা বোলিং ১/১৫। টেস্ট ক্রিকেটে ৬ ম্যাচের ১০ ইনিংসে রান মাত্র ২৬০। সেঞ্চুরি নেই, সর্বোচ্চ ৮২, হাফসেঞ্চুরি এই একটিই। আর বোলিংয়ে ৬ টেস্টে ১৫ উইকেট, ৫ উইকেট একবার। তাতে কী? তিনি যে সাকিব আল হাসান! বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড এম্বাসেডর। টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি শুরু হচ্ছে আজ। সাকিব কত বড় অলরাউন্ডার?- তা বিশ্ব জানে। প্রায় এক যুগ নামের পাশে কোন না কোন ফরম্যাটে আবার কখনো সব ফরম্যাটেই বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডারের তকমা গায়ে। আর তিনি যে বাংলাদেশ দলের প্রাণভোমরা, চালিকাশক্তি- সেটাও প্রতিষ্ঠিত সত্য। সেটা নামে নয়। তার পারফরমেন্স আর পরিসংখ্যানই তা বলে দিচ্ছে। বাড়তি কিছু ঘাটঘাটি করার দরকার নেই। টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের সেরা পারফরমারদের তালিকায় একবার চোখ বুলিয়ে নিলেই বোঝা যাবে সাকিব কত ভালো পারফরমার। আকাশছোয়া অলরাউন্ডিং পারফরমেন্স যার, দলে তার গুরুত্ব, প্রয়োজন ও কার্যকরিতা কতটা?- তা কি আর নতুন করে বলার ও ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে? নেই। লাল বলের ফরম্যাটে সাকিবের বোলিংটা অনেক বেশি দরকারি। প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে হলে এক বা দুইজন অতি কার্যকর বোলার খুব প্রয়োজন। সেই কাজে সাকিবের চেয়ে কার্যকর তো প্রশ্নই আসে না, সাকিবের ৬০ শতাংশ মানের কার্যকর বোলারও নেই বাংলাদেশে। কাজেই ভারতের সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সাকিবকে অনেক বেশি মিস করবে বাংলাদেশ। সত্যি কথা বলতে, ভারতের বোলারদের বারুদ মাখা বোলিংয়ের বিপক্ষে শুধু টেকনিক, ধৈর্য্য, মনোযোগ আর মনোসংযোগই যথেষ্ঠ নয়। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানসিক দৃঢ়তা আর বুক ভরা সাহস, যা আছে সাকিবের।

The Post Viewed By: 29 People

সম্পর্কিত পোস্ট