চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১:৩৮ এএম

স্পোর্টস ডেস্ক

‘জীবনের জন্য বড় এক অনুপ্রেরণা মাশরাফি’

জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক সফর, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ কিংবা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ খেলতে অসংখ্যবার বাংলাদেশে এসেছেন জিম্বাবুয়ের সদ্য বিদায়ী অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। এ দেশটি যে তার হৃদয়ের বড় অংশ জুড়ে, তা বেশ কয়েকবারই জানিয়েছেন। গত পরশু আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৪২ বলে ৭১ রানের এক অসাধারণ ইনিংসে দলকে জেতানোর মাধ্যমেই নিজের বিদায়কে রাঙিয়েছেন মাসাকাদজা। বিদায় বেলায় মাসাকাদজা জানিয়ে গেছেন, বাংলাদেশ ও দেশের মানুষ তার হৃদয়ের বড় একটি জায়গাজুড়ে অবস্থান করে। এখানে বারবার খেলতে আসার স্মৃতি উদ্বেলিত করতো জিম্বাবুয়ের অধিনায়ককে। যা তিনি অকপটে জানিয়েছেন নিজের বিদায়ী ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে খেলতে আসা, এখানের সংস্কৃতি, মানুষের সংস্পর্শে আসতে পারা সত্যিই আমার জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।’ এতবার এসেছেন বাংলাদেশে, নিশ্চয়ই রয়েছে অনেক সুখস্মৃতি? মাসাকাদজাও উত্তর দিলেন ইতিবাচকভাবে। অনেক সুখস্মৃতির ভিড়ে তার কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে আছে বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে খেলার সময়টা। এছাড়া মাশরাফিকে কাছ থেকে দেখতে ও জানতে পারাটাও দারুণ এক স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন মাসাকাদজা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমার অনেক ভালো স্মৃতি রয়েছে। ঢাকা লিগে খেলার মাধ্যমে অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গে কাছ থেকে পরিচিত হতে পারাটা দারুণ একটা স্মৃতি। এর মধ্যে সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায় ক্লাব ক্রিকেটে মাশরাফির সঙ্গে খেলার (২০১৬ সালের ঢাকা লিগে, কলাবাগানের হয়ে) অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় অনেক মানুষই তার গল্পটা জানে না, অনেকেরই ধারণা নেই মাশরাফি কিসের মধ্য দিয়ে গেছে।’ মাশরাফির জীবনবোধ, খেলার প্রতি ভালোবাসা ও আত্মনিবেদন দেখে, তাকে বই লেখারও পরামর্শ দিয়েছিলেন মাসাকাদজা, ‘আমার মনে আছে, একবার মাশরাফির সঙ্গে কথা বলার সময় আমি তাকে পরামর্শ দিচ্ছিলাম, সে যেনো নিজের জীবন ও অভিজ্ঞতা নিয়ে একটা বই লিখে ফেলে।

কারণ এটা খুবই অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। আমার মনে হয় মানুষ জানে না সে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কতটা দিয়েছে। তাই তার সঙ্গে ঢাকা লিগে এক দলের হয়ে খেলাটা সত্যিই দারুণ সময় ছিলো।’

The Post Viewed By: 98 People

সম্পর্কিত পোস্ট