চট্টগ্রাম সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সর্বশেষ:

১০ জানুয়ারি, ২০২৩ | ২:২৬ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা দিন আজ

সাদা পোশাকের খেলায় মর্যাদা লাভের বছর পাঁচেক পর প্রথম জয়ের দেখা পায় বাংলাদেশ। সেবার বিশ্বকে চমকে দিয়ে জিম্বাবুয়েকে হারায় টাইগাররা। ১৮ বছর আগে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা সেই দিনটি ছিল ১০ জানুয়ারি।

বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা লাভ করে ২০০০ সালে। প্রথম টেস্টে নেমেই শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে রানের ঝড় তুলে নবীন বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান সংগ্রহের পর ভারতকে বেধে রাখে ৪১৯ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে নাইমুর রহমান দুর্জয়ের দল মাত্র ৯১ রানে গুটিয়ে যায়। সৌরভ গাঙ্গুলির দল ৬১ রানের সহজ লক্ষ্য ১ উইকেটে পেরিয়ে গেলেও, শুরুর চমকটা অবশ্যই মনে রাখার মতো।

 

পরের কয়েকটা বছর বড় বড় হারই সঙ্গী হয়েছে টাইগারদের। শুরুর মতো প্রত্যাশা ধরে রাখতে পারেনি তারা। টানা ১৬ সিরিজে হেরে রীতিমতো কোনঠাসা হয়ে পড়া টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত আলোর দেখা পায় ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে।

চট্টগ্রামে ৬ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল ঐতিহাসিক সেই টেস্টটি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেই ৪৮৮ রানের পাহাড়সমান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। কোন ব্যাটসম্যান শতকের দেখা না পেলেও অবদান ছিল কয়েকজন ব্যাটারের। সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। রাজিন সালেহ’র ব্যাট থেকে আসে ৮৯ রান।

 

জবাব দিতে নেমে মোহাম্মদ রফিকের ঘূর্ণির সঙ্গে গতির ঝড় তুলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এতে দিশেহারা হয়ে ৮৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তাতেন্দা তাইবুর ৯২ আর এলটন চিগুম্বুরার ৭১ রানে কোনোমতে ৩১২ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছিল সফরকারীরা। রফিক ৫টি আর মাশরাফি নেন ৩টি উইকেট।

বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নামা বাংলাদেশকে আবারও পথ দেখান অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। তার ৫৫ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২০৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ৩৮১ রানের লক্ষ্যে নেমে এবার জিম্বাবুয়ের সামনে বাধ সাধেন এনামুল হক জুনিয়র। দুটি করে উইকেট নেন তাপস বৈশ্য ও মাশরাফি। তবে এনামুলের ৬ উইকেট শিকারের অপ্রতিরোধ্য দিনে সফরকারীরা গুটিয়ে যায় ১৫৪ রানে।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন