চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

২৫ ডিসেম্বর, ২০২২ | ৯:৩২ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

ক্যাচ মিস অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে : সাকিব

ভারতের কাছে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর মিরপুর টেস্টে টাইগাররা জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করেছে। আর এতে ক্যাচ ও ফিল্ডিং মিস অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন বাংলার কাপ্তান সাকিব আল হাসান।

রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) আগের দিনের করা ৪৫ রানের পর ব্যাট শুরু করে সফরকারীরা। ৬ উইকেটে তাদের জয় পেতে লক্ষ্য ছিল ১০০ রান। শনিবার শেষ বিকালে দ্রুত চার উইকেটের পতনে কিছুটা জয়ের সুবাস পাচ্ছিল লিটন দাশরা। কিন্তু চতুর্থ ক্যাচ ও ফিল্ডিং মিসের মহড়ায় সিরিজ জয়কে হোয়াইটওয়াশে পরিণত করে বিরাট কোহলির দল।

 

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সুযোগ মিসের আক্ষেপ করে গেলেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘একটু তো হতাশাজনক। কারণ, এগুলোই হয়তো অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ওদের হয়তো প্রথম ইনিংসে রান ৩১৪ না হয়ে ২৫০ হতে পারতো। দ্বিতীয় ইনিংসেও অবশ্যই সুযোগ ছিল। এসব ক্রিকেটের অংশ, তবে হতাশাজনক যে অন্য দলগুলো এসব মিস করে না, আমরা যেগুলো করি।’

টেস্টে বাংলাদেশের ফিল্ডিং দূর্বলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা ভালো ফিল্ডিং করেছি। বেশ ভালো করেছি। ওয়ানডে সিরিজেও (ভারতের বিপক্ষে) ভালো করেছি। টেস্ট ম্যাচে আমরা ওভাবে ভালো করতে পারিনি। হতে পারে মনোযোগের ঘাটতি। কে জানে, হতে পারে ফিটনেসের ঘাটতি বা অন্য কিছুও হতে পারে। এই জায়গায় উন্নতি করতে পারলে অন্য জায়গাগুলোয় আমাদের খুব বেশি পার্থক্য থাকবে না। আমাদের বোলারদের হয়তো ১৩ থেকে ১৪টি সুযোগ তৈরি করতে হয় ১০ উইকেট নিতে, অন্যদের ক্ষেত্রে যেটা করতে হয় না।’

 

এর আগে টেস্টের বেশির ভাগ সেশনেই আধিপত্য দেখিয়েছে ভারত। তবে তৃতীয় দিনের শেষ ঘণ্টা ও চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টায় দাপট দেখায় বাংলাদেশ। সেই দাপটের কাছে ভারত পুরোপুরি পরাস্ত হতে পারেনি বেশকিছু সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায়। প্রথম ইনিংসে ৯৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল ভারত। কিন্তু পন্থ ও আইয়ারের ১৫৯ রানের আক্রমণাত্মক জুটিই সব বদলে দেয়। অথচ দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই ভাঙতে পারতো এই জুটি! দুই ব্যাটারকেই দুবার করে জীবন দিয়েছিলেন নুরুল হাসান সোহান, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিমরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১ রানে জীবন পেয়ে সেটি কাজে লাগিয়ে ম্যাচ জেতান রবীচন্দ্রন অশ্বিন।

 

পূর্বকোণ/এএস/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট