চট্টগ্রাম বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

২৭ অক্টোবর, ২০২২ | ১২:৫০ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক

সিডনিতে ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

১০১ রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। ফলে ১০৪ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারল বাংলাদেশ। ২০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে শুরুটা ভাল হলেও বেশিক্ষণ সেটা ধরে রাখতে পারলো না বাংলাদেশি ব্যাটাররা। একে একে সাজঘরে ফিরে গেলেন টপ-অর্ডার ব্যাটাররা, বিপদে পড়ে গেল বাংলাদেশ। শুরুতে দুটি ছক্কা মেরে ভালো কিছুর আভাস দিয়ে ১৫ রান করে আনরিখ নরকিয়া বলে ফিরে গেছেন এই মারকুটে ওপেনার।

 

সৌম্য ফিরে যাওয়ার দুই বল পরই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। এদিন মোটে ৯ রান করেন বাঁহাতি এই ওপেনার। নরকিয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান রাজশাহীর এই ক্রিকেটার।

 

বাংলাদেশের তৃতীয় উইকেটটাও গেছে নরকিয়ার দখলেই। সাকিব আল হাসানকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি।

 

পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে রাবাদাকে মিড অফের ওপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন আফিফও। তাতে বাংলাদেশ পাওয়ারপ্লেতে ৪৭ রান তুলতেই খুইয়ে ফেলে ৪ উইকেট।

 

৪৭ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলার পর বাংলাদেশের হার ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার। ৩১ বলে ৩৪ রান করে অপেক্ষা বাড়িয়েছেন কেবল লিটন দাস। তিনি ফিরতেই অলআউট হতে সময় বেশি লাগেনি বাংলাদেশের। প্রোটিয়াদের পক্ষে ৩ ওভার ৩ বলে ১০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এনরিক নরকিয়া।  

 

এর আগে টস হেরে বোলিং করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই অধিনায়ক সাকিব আল হাসান আস্থা রাখেন তাসকিন আহমেদের ওপর। প্রথম বল ডট দেওয়ার পর দ্বিতীয় বলে দুই রান নেন বাভুমা।  

 

তাসকিনের পরের তিন বলেই কোনো রান নেওয়া যায়নি। শেষ বলে তিনি নেন উইকেট। তার লেন্থ বল উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো নুরুল হাসান সোহানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরত যান বাভুমা। ৬ বল খেলে ২ রান করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। এরপর যত সময় গড়িয়েছে, বিধ্বংসী হয়েছেন কুইন্টন ডি কক ও রাইলে রুশো।

 

দুজন মিলে গড়েন ১৬৩ রানের জুটি। দ্রুতগতির রানের সঙ্গে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান রুশো ও ডি কক। তাদের জুটি ভাঙে ১৫তম ওভারে এসে আফিফ হোসেনের বলে। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৮ বলে ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফেরেন ডি কক।

 

অন্যপ্রান্তে অবশ্য সেঞ্চুরি তুলে নেন রুশো। বাউন্ডারির সঙ্গে দৌড়েও রান নেন তিনি। সাকিব আল হাসানের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে ৭ চার ও ৮ ছক্কায় ৫৬ বলে ১০৯ রান করেন রুশো। মাঝে অবশ্য একবার জীবন পেয়েছিলেন তিনি।

 

তার বিদায়ের পর কিছুটা মন্থর হয়ে যায় প্রোটিয়াদের রান তোলার গতিও। শেষ পর্যন্ত তারা করেছে ২০৫ রান। বাংলাদেশের পক্ষে ৩ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট পান সাকিব। কোন উইকেট না পেলেও বড় রানের দিনে ৪ ওভারে ২৫ রান দেন মোস্তাফিজুর রহমান।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট