চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ১২:৪২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা

মনিকাকে বরণ করতে প্রস্তুত লক্ষ্মীছড়িবাসী

সাফ জয়ী দলের ফুটবলার মনিকা চাকমাকে বরণ করতে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। লক্ষ্মীছড়ির গর্ব দেশের আলোচিত এ নারী ফুটবলার মনিকা চাকমার বাড়ি উপজেলা সদর থেকে ৭ কিমি দুরে সুমন্ত পাড়া এলাকায়। বাড়িতে যাওয়ার ভালো রাস্তা নেই। একটি ছড়া পার হয়ে যেতে হয়। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলে সেটা পার হওয়া সম্ভব না। মনিকা চাকমার বাবা বিন্দু কুমার চাকমা বলেন, মেয়ের সাফল্যে আমি গর্বিত। মনিকা শুধু এই এলাকা নয়, সারা দেশের গৌরব উজ্জ্বল করেছে। মনিকা আগামীতে আরো ভালো কিছু করে ফুটবলকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে সেই আশা করি।

মা রবি মালা চাকমা বলেন, আমার মেয়ের জন্য আর্শীবাদ করি সে ভালো ফুটবল খেলে আমাদের এই উপজেলার সম্মান রাখতে পারে। মনিকা বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আমরা সবাই। এলাকাবাসীও অপেক্ষায় বীর কন্যা কখন বাড়িয়ে ফিরবে। ২০০৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর কৃষক পরিবারে জন্ম নেয়া মনিকা চাকমা এখন সকলের পরিচিত মুখ। বাবা পেশায় কৃষক। আর মা রবি মালা গৃহিনী। মনিকারা পাঁচ বোন। বাবার পছন্দ ছিল না মেয়ে ফুটবল খেলুক। লক্ষ্মীছড়ির প্রত্যন্ত গ্রামের মনিকা ফুটবলার হয়ে উঠার গল্পটা তাই মসৃণ ছিল না। বাবা মা কখনোই ভাবেননি একদিন মনিকাই বাংলাদেশ মাতাবেন।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে লক্ষ্মীছড়ির মরাচেগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দলের হয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়ে জেলা পর্যায় খেলেন মনিকা চাকমা। পরে জাতীয় পর্যায় খেলার ডাক পান অনুর্ধ্ব-১৪ দলে। এ দলটি ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত এএফসির টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান ফেয়ার প্লে ট্রফি জিতেছিলো। ওই আসরে মনিকা গোল করেছিল তিনটি। ২০১৯ সালে বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টুর্নামেন্টে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে গোল করে পরিচিতি পান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ফিফা তার এ গোলকে ‘জাদুকরী গোল’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

পূর্বকোণ/আর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট