চট্টগ্রাম শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩

পাকিস্তানের ‘মিশন ইম্পসিবল’

শিরোপার অন্যতম দাবিদার ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক

২৬ মে, ২০১৯ | ২:০৪ পূর্বাহ্ণ

৩০ মে পর্দা উঠবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস বিশ্বকাপের। তার মানে অপেক্ষা আর মাত্র ৪ দিনের। দল পরিচিতির ধারাবাহিক প্রতিবেদন আজ থাকছে বিশ্বকাপের অন্যতম দুই দল ভারত ও পাকিস্তান দল দুটির সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষন। এবারের আসরে বিরাট কোহলির নেতুত্বে টগবগে ভারত অংশ নিতে গেলেও পাকিস্তানের অবস্থা মোটেই ভালো। ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর প্রস্তুতি ম্যাচে তারা হেরেছে আফগানদের কাছেও। আজ সরফরাজ আহমেদের দল মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের।
ভারত: ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি। ভারতের ঘরে আছে দু’টি বিশ্বকাপ। আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণ (১৯৭৫) থেকে মূল মঞ্চে খেলছে ভারত। ১৯৮৩ সালে প্রথমবারের মতো ভারতকে বিশ্বকাপ এনে দেন কপিল দেব। এরপর দীর্ঘ সময়ের খরা কাটিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির অধিনায়কত্বে ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ জিতে ভারত। ফেবারিট হয়েই ইংল্যান্ড সফরে গেছে ভারত। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম দাবীদারও তারা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ভারতের। আসরে আলোটা বেশি থাকবে অধিনায়ক কোহলির উপর। ওপেনিংয়ে আছেন রোহিত ও ধাওয়ানের মতো বিধ্বংসী ব্যাটম্যান। সঙ্গে ‘মাস্টারমাইন্ড’ ধোনি তো আছেনই। ‘মিস্টার কুল’র এটি শেষ বিশ্বকাপ। বোলিংয়ে প্রতিপক্ষের মাথা ব্যথার কারণ হতে পারেন ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়র নাম্বার ওয়ান জসপ্রিত বুমরাহ। কোহলির দল প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ২৮ মে দিবাগত রাতে, কার্ডিফে। প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে ভারত প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মে, সাউদ্যাম্পটনে
পাকিস্তান: আনপ্রেডিক্টেবল দল পাকিস্তান। চলতি বছরের ১৫ ম্যাচে মাত্র দুটি ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ১৯৯২ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। তারপরও বিশ্বকাপে তাদের গোনায় না ধরলে বড় ভুল করবে প্রতিপক্ষরা। এবারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হতে পারে তাদের অলরাউন্ডাররা। তাদের ১৫ সদস্যের দলের মধ্যে ছয়জনই অলরাউন্ডার। ফিটনেস সমস্যায় থাকা মোহাম্মদ হাফিজ ছাড়া সবাই বেশ ছন্দে আছেন। এখানে তাদের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম শোয়েব মালিক। এছাড়া শাদাব খান, আসিফ আলী, হারিস সোহেল, ইমাদ ওয়াসিমরাও পাকিস্তানের মূল ভরসা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাকিস্তান অতি চেনা ও পুরনো নাম। বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকেই অংশ নিয়ে আসছে তারা। আগের ১১টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ছয়বার সেমিফাইনাল খেলেছে উপমহাদেশের ক্রিকেট পাগল এই দেশটি। দুইবার ফাইনাল খেললেও একবার শিরোপা ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে তাদের। ১৯৯২ বিশ্বকাপে কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ইমরান খানের নেতৃত্বে প্রথম বারের মতো শিরোপার স্বাদ নেয় পাকিস্তান। দেখা গেছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন একটি সিরিজ খেলার পরও, আফগানদের কাছেও হারের পরও বিশ্বকাপে দাপট দেখাচ্ছে পাকিস্তানই। তাইতো তাদের জন্য এ লড়াইয়ের কেতাবি নাম ‘মিশন ইম্পসিবল’!

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট