চট্টগ্রাম শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৮ আগস্ট, ২০১৯ | ১:০৬ এএম

বিশ্বজিৎ রাহা

কেটে ফেলা পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে উত্তর ফটিকছড়ির বালুটিলা স্কুল

কেটে নেয়া পাহাড়ের অবশিষ্টাংশ ধসের আশঙ্কায় চরম ঝুঁকিতে আছে উত্তর ফটিকছড়ির বালুটিলা উচ্চ বিদ্যালয়টি। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটিকে আমলেই নিচ্ছে না রহস্যজনক কারণে! অন্যদিকে বিদ্যালয় কমিটির বিরুদ্ধেই পাহাড় কাটার অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, ১৯৮৪ সালে এলাকার সচেতন নাগরিকদের উদ্যোগে উত্তর ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের বালুটিলা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, বালুটিলা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন আস্ত একটা পাহাড় কেটে দিনে দিনে ন্যাড়া করে দেয়া হয়েছে। ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি এবং স্থানীয় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধেই সেই পাহাড় কাটার অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। তারা জানান, বিদ্যালয় সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে ট্রাকপ্রতি ১২শ’ টাকা মূল্যে পাহাড় কাটার মাটি বিক্রি করে। এমনকি ওই টাকা বিদ্যালয় হিসাবেও জমা করা হয় না। পাহাড় কাটার অভিযোগটি দৃশ্যমান হলেও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মেম্বারের নিকট এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এসবে তিনি জড়িত নন বলে দাবি করেছেন। একইভাবে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. শাহ জামাল মজুমদারের নিকট জানতে চাইলে তিনিও এসবের সাথে যুক্ত নন বলে দাবি করেন। তবে সরেজমিনে দেখা যায়, কাটা পাহাড়টি বন বিভাগের মালিকানাধীন। কিন্তু পাহাড়টির ওপরে মো. হানিফ, নাছির উদ্দিন, তাজুদ্দিন, মইনুদ্দিন নামে ব্যক্তিবর্গ দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন। মূলত তারাই পাহাড়টি কেটে মাটি বিক্রি করছেন বলে স্থানীয় অপর একটি সূত্র দাবি করেছে।

এদিকে কাটা পাহাড়ের তলদেশে অবস্থিত বিদ্যালয়টি পাহাড়ধসের চরম ঝুঁকিতে থাকলেও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় না। অথচ অভিভাবকরা পাহাড়ধসের আশঙ্কায় উৎকণ্ঠিত। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি বলে সচেতন মহলের অভিমত।

The Post Viewed By: 84 People

সম্পর্কিত পোস্ট