চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সর্বশেষ:

১৯ ডিসেম্বর, ২০২২ | ৩:৫১ অপরাহ্ণ

আমরা যেন না কাঁদি, সেজন্য আম্মু দোয়া করতো ‘মেসি যেন গোল দেয়’

সম্ভবত ২০০২ থেকে ফুটবল দেখতে শিখি । তার আগের বিশ্বকাপের স্মৃতি কিছুই মনে নাই । পারিবারিক সূত্রে আর্জেন্টিনা সাপোর্টার, এই নিয়ে কত ট্রলের শিকার হয়েছিলাম। যাইহোক, এরপর একটু একটু করে বড় হতে লাগলাম। আমার বড় হওয়ার পুরোটা সময়েই আমি মেসিকে খেলতে দেখলাম। এ এক অন্য রকম প্রিভিলিজড ফিলিংস যে আমি মেসির এই অসাধারণ ক্যারিয়ার দেখেছি।

তবে আর্জেন্টিনার খেলা দেখে প্রতি বিশ্বকাপেই কেঁদেছি। প্রতিবার এলিমিনেট হওয়ার ম্যাচে আমি, আমার ভাই ম্যাচ দেখতাম। এদিকে আম্মু শুধু দোয়া করতো ‘আল্লাহ মেসি যেন একটা গোল দেয়, আমার ছেলে-মেয়ে দুইটার যেন কাঁদা না লাগে!’ সাথে ছিল আমার ছোট খালা যে আবার আর্জেন্টিনা পাগলা সাপোর্টার।

 

আমরা কোনদিন একা একা কোন আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখিনি, সবসময় পরিবারের সবাই একসাথে হৈ-হুল্লোড় করে খেলা দেখতাম।

গতকাল যখন আজীবনের অপেক্ষা শেষ হয়ে অবশেষে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতে গেল, আমি হাউমাউ করে কান্না করতে করতে বাসায় সবাইকে ফোন দিতে লাগলাম। ভিডিও কলে কতক্ষণ কাঁদলাম আসলে জানিনা। খুশিতেও কাঁদলাম, সাথে কাঁদলাম তাদের কাছে না থাকার কষ্টে।

মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে চাওয়ার যেই আজীবনের তৃষ্ণা তা পূর্ণ হবার মূহুর্ত! জীবনে তীব্র ভাবে চাওয়া কিছু পেয়ে গেলে কেমন লাগে? আমি বোধহয় কিছু ফিল করতে পারছিনা। আমার শুধু মনে হচ্ছে আমার ফেসবুকের হোমপেইজটা এমনই থাকুক, শুধু মনে হচ্ছে সবার সব আপডেট পড়ি, সব ভিডিও দেখি, ছবি দেখি। এ কেমন আনন্দ! এ কেমন অনুভূতি! এত অসাধারণ কেন লাগে! ফেসবুক থেকে নেওয়া

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট