চট্টগ্রাম বুধবার, ০৪ আগস্ট, ২০২১

সর্বশেষ:

১৪ জুলাই, ২০২১ | ১:১১ পূর্বাহ্ণ

প্রফেসর ফজলুল হক

মানুষ যা চায়, তা সে পায় না

আমি চাকুরিজীবনে প্রবেশ করি ১৯৭৪ সালে। চট্টগ্রামের একটি সরকারি কলেজে আমার পোস্টিং হওয়ায় আমি খুব আনন্দিত ছিলাম। আজ সারাদেশে যতো সরকারি কলেজ রয়েছে, তখন ততো সরকারি কলেজ ছিলোনা। আজকের বড়ো বড়ো সরকারি কলেজগুলি তখন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ছিল, পরবর্তীকালে জাতীয়করণের মাধ্যমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আনা হয়েছিল।

কলেজের সংখ্যা কম হওয়ায় বদলির সম্ভাবনাও কম ছিল। ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা ব্যাচ বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু সে চাকুরিতে নিজ জেলা চট্টগ্রামে পোস্টিং হওয়ার সম্ভাবনা ছিলোনা। সরকারি কলেজের চাকুরিতে সময় ভালো কাটছিলো কিন্তু পরবর্তীতে আমাকে অনেকবার বদলির কবলে পড়তে হয়। আমার এমন এক জেলায় বদলি হয়েছিল সেখানে যোগদান করার জন্য যেতে আমাকে তিনবার বাস বদল করতে হয়েছিল।

তখন যোগাযোগ ব্যবস্থা আজকের মতো এতো ভালো ছিলোনা। গাড়িঘোড়ার মানও ভালো ছিলোনা। কিন্তু তিনবছর ওই দূরবর্তী জেলায় আমার চাকরিকাল ভালো কেটেছিলো। এত দূরে চাকরি করা নিয়ে আমার যে ভয়ভীতি ছিল তা মোটেও সত্যে পরিণত হয়নাই। সেখানে অনেকের সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কলেজের সহকর্মী ছাড়াও জেলা প্রশাসন, পুলিশপ্রশাসন ও অন্যান্য ক্যাডারের অফিসারদের সাথে রাত্রে ক্লাবে দেখা হতো। তাদের অনেকের সাথেই বন্ধুত্ব তৈরি হয়।

এককালে ওই জেলার বড়ো প্রাইভেট কলেজ ছিল ওটি। পরে সেটি সরকারিকরণ করা হয়। কলেজের পূর্বের শিক্ষক, যারা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হন তারা আমাকে খুবই পছন্দ করতো। বিজ্ঞান ভবনের একজন প্রভাষক আমাকে সবসময় সাহায্য সহযোগিতা করতো। তার বয়স অনেক কম ছিল। চাকরিতেও আমার অনেক জুনিয়র ছিল। তার সহযোগিতার কারণে আমার সেখানকার চাকরিজীবন আনন্দময় হয়ে উঠেছিল। বোটানির ঐ লেকচারারের নাম ফিরোজ। ফিরোজের মাথায় মাঝে মাঝে চমৎকার আইডিয়া চলে আসতো। একদিন সে রাত ৮টার দিকে আমাকে বললো, স্যার, আপনি বাইরের দিকে তাকান, আমি তাকালাম, প্রকৃতি জ্যোৎস্নায় ভেসে যাচ্ছে।

সেদিন ছিল পূর্ণিমার রাত্রি। আকাশে থালার মতো চাঁদ, অকাতরে আলো ছড়াচ্ছে। সে একটা রিক্সা ডেকে আনে। আমাকে বলে, স্যার, এখান থেকে নদী অনেক দূরে, আমরা এই রিক্সা নিয়ে নদীর পাড়ে যাবো, চাঁদের আলোয় ভাসতে ভাসতে ফিরে আসবো। আমি অবাক হয়ে বললাম অজানা অচেনা রাস্তায় রাত্রে রিক্সায় ভ্রমণ করা ঠিক হবে? সে বললো, কোন চিন্তা করবেন না। চাঁদের আলো গায়ে মাখতে মাখতে আমরা যখন নদীর পাড়ে পৌঁছায় তখন রাত দুইটা। সেখানে বড়ো একটি বাজার ছিল দেখতে পেলাম রাতে মাছ বেচাকেনা চলছে। আমরা যখন ফিরে আসি তখন আমাদের পরের দিনের অফিস টাইম হয়ে গেছে।

আমি সেই কলেজ থেকে বদলি হয়ে আসার বহুবছর পরে তার সাথে আমার ঢাকায় দেখা হয়। সে তখন উত্তরবঙ্গের একটি কলেজে বদলি হয়ে চলে গেছে। ১৯৭৪ সালে আমি যখন প্রথম চাকরিতে যোগদান করি তখন আমার সাথে সদানন্দ, হান্নানা, রাজিয়া একই কলেজে যোগদান করেছিল। ফিরোজ আমাকে জানালো ‘রাজিয়া আমেরিকায় চলে গেছে, হান্নানা এবং সদানন্দ ঢাকায় একই কলেজে ছিল’। আমি তাঁকে বললাম তুমি কিভাবে তাদের চিনো? সে বললো, ‘আমি আমেরিকায় গিয়েছিলাম একটি সেমিনারে। সেখানে রাজিয়ার সাথে পরিচয় হয়। তিনি আপনাকে চিনেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। সদানন্দ স্যার এবং হান্নানা ম্যাডামের সাথেও আপনার রেফারেন্সে পরিচয় হয়েছে’। আমি তাকে বললাম এখন তুমি নীলফামারী যে কলেজে আছো সেখানে দিন কেমন কাটছে? সে বললো, ‘চমৎকার। কলেজে আমাদের প্রিয় ননী স্যারকে নিয়ে আমরা বেশ মজা করি। উনি সকাল বেলা কলেজে চলে আসেন। কাজ থাক বা না থাক আমিও চলে আসি। এসেই ননী স্যার ক্যান্টিনের বেয়ারাকে ডেকে ১২টা গরম গরম সিঙ্গারা এবং এককাপ চা আনতে বলেন। তারপরে গোগ্রাসে একেক করে ১২টা সিঙ্গারা খেয়ে চায়ের কাপে চুমুক দেন।

আমি অবাক হই, একজন মানুষ এতো সিঙ্গারা খান কি করে? আমাদের একজন নতুন সহকর্মী সুমনাকে আমি বলি একজন মানুষ ১২টি সিঙ্গারা খেতে পারে? সুমনা আমার দিকে তাকায়। পরের দিন ননী স্যার সিঙ্গারা নিয়ে বসেছেন, একটি খাওয়ার পর দ্বিতীয়টিতে হাত দিবেন সুমনা এক ঝটকায় প্লেট কেড়ে নিয়ে বলে স্যার, আজ থেকে আপনার সিঙ্গারা খাওয়া বন্ধ। আপনি এক কাপ চায়ের সাথে একটি সিঙ্গারা খেতে পারবেন। আমি ক্যান্টিন বয়কে বলে দিয়েছি ১২টি সিঙ্গারা যেন না আনে। তেলের জিনিস বেশি খাওয়া ক্ষতিকর।

ননী স্যার চোখ বড়ো বড়ো করে সুমনার দিকে তাকিয়ে থাকে’। আমি কলেজের পাশে একটি বাসা ভাড়া নিয়েছিলাম সেখানে একা থাকতাম। একদিন কলেজের শিক্ষক কমনরুমে আমি সুমনাকে বলি, ‘আমার জ্বর জ্বর মনে হচ্ছে। সে ছুটে এসে আমার মাথায় হাত দিয়ে বলে গা গরম হয়েছে। তুমি বাসায় চলে যাও। ক্লাস আমি দেখবো’। খুব কম সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ট সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সে তার অধিকাংশ সিনিয়র সহকর্মীকে দাদা, বড় ভাই বলে ডাকতো। এমনকি ননী স্যারকেও তুমি তুমি করে বলতে শুরু করেছিল। আমি বাসায় পৌঁছে বুঝতে পারলাম যে আমার জ্বর অনেক বেড়ে গেছে। মনে হচ্ছে, মাথা ঘুরছে। আমি দরজা বন্ধ না করেই শুয়ে পড়লাম। তারপর সম্ভবত আমার ঘুম এসেছে। আমার আর কোন কিছু মনে নেই। সন্ধ্যার দিকে যখন আমার অনুভূতি ফিরে আসে কিংবা ঘুম ভেঙ্গে যায় তখন আমি দেখতে পাই আমার মাথায় সুমনা জলপট্টি দিচ্ছে।

নীলফামারিতে একটি বিখ্যাত পর্যটন স্পট আছে। নাম নীলসাগর। এটি শহর থেকে কয়েক মাইল দূরে, বিস্তৃত মাঠের মধ্য দিয়ে সরু রাস্তায় নীলসাগর যাওয়া যায়। রাস্তাটি সম্ভবত সীমান্ত শহর চিলাহাটি পর্যন্ত চলে গেছে। নীলসাগর একটি বিশাল লেক। এই লেকে নৌবিহারের ব্যবস্থা আছে। চারপাশে উঁচু পাড়ের মধ্যে ঘন বৃক্ষরাজি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ফিরোজ আমাকে বললো কলেজের কিছু শিক্ষক একদিন নীলসাগরে নৌবিহারে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। আমিও তাদের সাথে গিয়েছিলাম। চারটি বড়ো বড়ো বোট ভাড়া করা হয়েছিল।

শিক্ষক শিক্ষিকারা বিভিন্ন বোটে উঠতে শুরু করেছিল। আমার সাথে পাশাপাশি হেটে সুমনাও বোটের দিকে এগুচ্ছিল। আমি একটি বোটে উঠে তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলাম। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে সে অন্য একটি বোটে উঠে যায়। নৌবিহার শেষে আমরা কলেজে ফিরে আসি। কলেজ থেকে আমি আমার বাসায় চলে যাই। পরদিন আমি কলেজে গিয়ে সুমনাকে দেখতে পাইনি। খোঁজ নিয়ে জানলাম, সে ছুটি নিয়ে একমাসের জন্য ঢাকায় চলে গেছে। এরমধ্যে আমার বদলির আদেশ চলে আসে। আমাকে মুন্সীগঞ্জের একটি কলেজে বদলি করা হয়। তারপর থেকে আমার সাথে সুমনার আর দেখা হয়নি। তার অনেক বছর পর আমি ভুটান গিয়েছিলাম। ভুটান দেখার আমার খুব শখ ছিল। ভুটানের এক গ্রামে সুমনার দেখা পাই। সে আমাকে বললো, ‘তুমি এখানে কেনো’? আমি তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন করলাম ‘তুমি কেনো এসেছো’?

আমাদের স্কুল ও কলেজ জীবনে কতগুলো পীচ পাঠ্য ছিলো। যেমন, ‘ফেইস টু ফেইস উইথ এ ম্যান ইটার’, ‘ইনসাইড অ্যান একটিভ ভলকেনো’, ‘গালিভার্স ট্র্যাভেল’, ‘মাংকিস্ প ’। আমাদের পূর্ণেন্দু স্যার কলেজে ‘মাংকিস্ প; পড়াতেন। আমি ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র নই, আমার লেখার স্থানও সংকুচিত, তাই আমাকে ‘ মাংকিস্ প’ এর অনুকরণে পাঠকদের জন্য ছোট্ট করে গল্পটি বলতে হবে।

ব্রিটিশ আমলের কথা, এক ব্রিটিশ ভদ্রলোক আসামে চাকুর জীবন শেষ করে লন্ডনে ফিরে যায়। আসামের কামরুখের এক জাদুকর সেই ব্রিটিশ ভদ্রলোককে বানরের একটি শুকনো থাবা (হাত) উপহার দেয়। এটি সে লন্ডনে নিয়ে যায়। সে তার আরেক বন্ধুকে বানরের এই আশ্চর্য থাবার গুণের কথা বলে। বানরের হোক কিংবা হনুমানের হোক এই শুকনো থাবাটি হাতের মধ্যে নিয়ে তার কাছে যা চাওয়া হবে মুহূর্তের মধ্যে সেটি পাওয়া যাবে। এই কথা শুনে তার বন্ধু থাবাটি তার কাছে চেয়ে বসে। ব্রিটিশ ভদ্রলোক তার বন্ধুকে বলে, এই থাবার দুইটি শর্ত আছে। ১) তুমি যা চাইবে এই থাবা তোমাকে তা এনে দিবে কিন্তু তার পরপরই তোমার বড় ধরণের একটি ক্ষতি হবে। ২) এই থাবা মাত্র তিনটি শর্ত পূরণ করবে। তারপর এর কার্যকারিতা চলে যাবে। ব্রিটিশ ভদ্রলোক বললো আমি এই হনুমানের থাবা ব্যবহার করিনি আমার ভয় লাগে। তুমি এটি নিয়ে যাও। দেখো কিছু করতে পারো কি-না?

বন্ধুটির ২০০০ পাউন্ডের একটি ঋণ ছিলো এবং পরেরদিন সে ঋণ পরিশোধের শেষ তারিখ ছিলো। তিনি বাড়ি ফিরে এলেন বাহিরে ভীষণ তুষার ঝড় হচ্ছে। রাত গভীর হয়েছে। রাতের খাবারের পর তিনি এবং তার স্ত্রী ফায়ার প্লেসে বসলেন। তিনি স্ত্রীকে হনুমানের থাবার কথা বললেন। তারপর মুঠোর ভিতরে শুকনো থাবাটি নিয়ে চিৎকার করে বললেন, হে হনুমানের থাবা তুমি যদি সত্যি হও তাহলে এক্ষুণি আমাকে ২০০০ পাউন্ড এনে দাও। তারা স্বামী-স্ত্রী চুপচাপ বসে রইলেন। বাহিরে বরফ ঝড়ার শব্দ হচ্ছে। রাস্তাঘাট বরফে ঢেকে গেছে। বরফ পড়ার শব্দ ছাড়া চারদিক নিস্তব্দ। এমন সময় তাদের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হলো।

স্বামী-স্ত্রী দুইজন গভীর উৎকণ্ঠার মধ্যে দরজা খুললেন। দেখলেন একজন আগন্তুক তাদের দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে। তিনি বললেন আপনাদের জন্য ২০০০ পাউন্ডের একটি চেক আছে। চেকটি বুঝে নেন। তারা বিস্ময় এবং আনন্দের সাথে চেক গ্রহণ করেন। তারপর তাঁকে প্রশ্ন করেন এটি কিসের চেক? আগন্তুক বললো, আপনাদের ছেলে যে কারখানায় কাজ করে সেখানে সে মেশিন চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে মারা গেছে। এটি তার ক্ষতিপূরণের চেক বলে লোকটি চলে যায়। স্বামী-স্ত্রী দুইজন অসহায়ের মতো একে অপরের দিকে তাকায়। ও ছিল তাদের একমাত্র সন্তান। হঠাৎ লোকটি হনুমানের থাবা হাতের মুঠোর মধ্যে নিয়ে চিৎকার করে বললো, এ থাবা আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দাও। তারা চুপচাপ বসে থাকে। কিছুক্ষণ নিস্তব্দতার পর বাহিরে ঘোড়ার খুড়ের শব্দ হচ্ছে, ঠক-ঠক-ঠক।

তাদের ছেলে ঘোড়ায় চড়তো। ঘোড়ার খুড়ের আওয়াজ হচ্ছে। কেউ তাদের দরজার দিকে আসছে। এটি তাদের ছেলে নয়তো? মা ছেলেকে পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে দরজা খোলার জন্য ছুটে যায়। ভদ্রলোক ভাবছিলো দরজা খুলে যদি তাদের ছেলেকে দেখতে পাওয়া যায় তাদেরকে আবার কি মূল্য দিতে হবে কে জানে? তিনি থাবাটি হাতের ভিতরে নিয়ে বললেন হে অভিশপ্ত হনুমানের থাবা তোমার কাছে আমার শেষ চাওয়া হলো তুমি আমার ছেলেকে ফিরে যেতে বলো।

বর্তমানে আমাদের দিন খুবই খারাপ কাটছে। প্রতিদিন করোনা তান্ডবের খবর শুনতে শুনতে মন বিষিয়ে উঠেছে। ঠিক এই সময়ে একদিন ফিরোজ আমাকে ফোন করে। সে বলে সুমনার সাথে আমার দেখা হয়েছে। সে স্পিরিচুয়ালিটি নিয়ে কাজ করার জন্য ভারতে চলে যায়। সেখানে বিভিন্ন মেডিটেশন সেন্টারে কাজ করে। তারপর ভুটানের কিছু ধর্মগুরুর সাথে সে আধ্যাত্মিকতা বিষয়ে কাজ করে। তার সাথে আমার ভুটানে দেখা হয়। আমি ভুটান থেকে ঢাকায় চলে আসি। আগামীকাল সে ভুটান থেকে ঢাকায় আসবে, আমার সাথে কাল তার এয়ারপোর্টে দেখা হবে। আমি তাকে এয়ারপোর্টে রিসিভ করবো। আমি ফিরোজকে বললাম তোমরা একত্রিত হচ্ছো এটা শুনে আমার খুবই ভালো লাগছে।

আমি পাঠক পাঠিকাদের বলছি মানুষ যা চায় তা পায়না। এটা ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। আমরা উন্নয়নের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করি। পৃথিবীর সকল সম্পদকে হাতের মুঠোর মধ্যে নিয়ে আসি। কিন্তু কোনকিছু পাওয়ার বদলে আমাদের অনেককিছু হারাতে হয়। আজকে বিশ্বব্যাপী জলবায়ুর বিরূপ আচরণ আমাদের অতিমাত্রায় উন্নয়নের কুফল মাত্র। করোনাভাইরাসও হয়তো তেমনই একটি অভিশাপ।

লেখক: প্রফেসর ফজলুল হক সাবেক অধ্যক্ষ, কলামিস্ট।

পূর্বকোণ/সাফা/পারভেজ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 241 People

সম্পর্কিত পোস্ট