চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

২১ নভেম্বর, ২০১৯ | ৬:০১ অপরাহ্ন

অনলাইন ডেস্ক

পিইসিতে বহিষ্কৃত শিশুদের পরীক্ষা নিতে হাইকোর্টের রুল

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর জারি করা নির্দেশনার ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা-ও জানতে চেয়েছেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল।

আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব রুল জারি করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০১৮ সালের নির্দেশনার ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’র বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পিইসি পরীক্ষায় ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একইসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর জারি করা নির্দেশনার ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল আদালতে বলেন, ‘যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের বয়স ১০ বা ১১ বছর। এ বয়সের একজন শিশুকে বহিষ্কার করা তার মানসিক জগতে প্রভাব ফেলবে। তাদের বহিষ্কার করা অনুচিত। বহিষ্কার না করে অন্য উপায় অবলম্বন করা যেতে পারত।’

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গত রবিবার থেকে শুরু হওয়ার পর সোমবার (১৮ নভেম্বর) পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ১৫ শিশু বহিষ্কার হয়েছে। পরীক্ষায় অসাধুপন্থা অবলম্বন করার অভিযোগে এসব শিশুকে বহিষ্কার করা হয়। তবে কোমিলমতি শিশুদের এ ধরনের বহিষ্কার তাদের ওপর এক ধরনের মানসিক নির্যাতন।

পূর্বকোণ/পিআর

The Post Viewed By: 64 People

সম্পর্কিত পোস্ট