চট্টগ্রাম রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ | ২:০১ অপরাহ্ন

অনলাইন ডেস্ক

আবরার হত্যা মামলার ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিতে আদালতে গেছে গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) একটি দল। চার্জশিটে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে  ডিবির পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন একটি টিম চার্জশিট নিয়ে আসেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় মোট ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আমরা আদালতে চার্জশিট দিচ্ছি। এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এর বাইরে  তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আরও ৬ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক রয়েছে চার জন। এর মধ্যে তিন জন এজাহারভুক্ত ও একজন এজাহারবহির্ভূত।’

মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘চার্জশিট আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি, আবরার হত্যা সরাসরি অংশে নেয় ১১ জন। বাকি ১৪ জন হত্যাকাণ্ডে বিভিন্ন পর্যায়ে জড়িত ছিল।’

চার্জশিটে যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন—মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ, অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশররফ সকাল, মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অমিত সাহা, মাজেদুল ইসলাম, মুজাহিদুর রহমান, তাবাখারুল ইসলাম তানভীর, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. জিসান, আকাশ হোসেন, শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মো. মোর্শেদ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, মুনতাসির আল জেমি, মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না মোশতুবা রাফি এবং এস এম মাহমুদ সেতু।

এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন জিসান, তানিম, মোরশেদ, মোশতুবা রাফি। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে এরইমধ্যে ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন—নাজমুস সাদাত, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর ও মনিরুজ্জামান মনির। বাকিরা পুলিশের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলে জানান মনিরুল ইসলাম। এরা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, আবরারের খুনে তারা সরাসরি সম্পৃক্ত।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ।

পূর্বকোণ/পিআর 

The Post Viewed By: 62 People

সম্পর্কিত পোস্ট