চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ | ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ

এই ট্রেনে ফেরার কথা ছিল চবি’র ১২০ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর

ট্রেনের টিকেট না পেয়ে ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইতিহাস বিভাগের ১২০ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত ও বহু আহত হয়েছেন। অথচ এই উদয়নের যে বগি দুটিতে তূর্ণার সঙ্গে মারাত্মক সংঘর্ষ হয়েছে, সেই দুটি বগিতে করে ফেরার কথা ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ৮ জন শিক্ষক ও ১১২জন শিক্ষার্থীর। টিকিট না পেয়ে ওই ট্রেনে ভ্রমণ বাতিল হওয়ার কারণে ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেন তারা।

জানা যায়, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের ১১২জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক মিলে গত ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর সিলেটে ফিল্ড ওয়ার্ক (ইতিহাস সমৃদ্ধ স্থাপনা ও জায়গা নিয়ে গবেষণা) করতে যাওয়ার কথা ছিল। এ জন্য তারা গত ৫ নভেম্বর সিলেটে যাওয়ার জন্য ৯ তারিখের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ও সিলেট থেকে চট্টগ্রামে ফেরার জন্য ১১ নভেম্বর উদয়ন এক্সপ্রেসের শেষের দুটি বগির জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু সিট খালি না থাকায় তাদের আবেদন গ্রহণ করেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ৯ তারিখ আর যাওয়া হয়নি সিলেটে।

ফিল্ড ওয়ার্ক কমিটির সদস্য ও ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ফেরারি হাসান বলেন, আমরা যদি ৯ নভেম্বর টিকিট পেতাম। তাহলে ১১ নভেম্বর দুর্ঘটনায় শিকার হওয়া উদয়ন এক্সপ্রেস করে চট্টগ্রামে ফিরতাম। অথচ আমরা শেষের ওই দুই বগি রেলওয়ে থেকে চেয়েছিলাম। খোদার অশেষ রহমত, যাত্রা বাতিল হওয়ায় আমরা সবাই বেঁচে গেলাম। অথচ ৯ তারিখ যেতে না পারায় আমরা শিক্ষক ও রেলওয়ের প্রতি ক্ষুব্ধও ছিলাম।
কমিটির প্রধান ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী চৌধুরী পূর্বকোণকে বলেন, যে ট্রেনের দুটি বগিতে দুর্ঘটনা ওই বগিতে করে সোমবার সিলেট থেকে ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামে আসার কথা ছিল। কিন্তু টিকিট না পাওয়ার কারণে আমাদের যাত্রা বাতিল হয়। আমরাও দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেলাম। তবে আমরা ৯ নভেম্বর সিলেটে যাওয়ার ও ১১ নভেম্বর চট্টগ্রামে আসার টিকিট না পাওয়া ২০ নভেম্বরের জন্য আবেদন করেছিলাম। টিকিট পাওয়ায় এখন আমরা সবাই ২০ নভেম্বর সিলেটে যাব। চট্টগ্রামে ফিরব ২২ তারিখ।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 367 People

সম্পর্কিত পোস্ট