চট্টগ্রাম বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩:০০ পূর্বাহ্ণ

কালো টাকা দিয়ে ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা সফল হবে না: ড. কামাল

স্বৈরশাসকরা যুগে যুগে জনগণের ঐক্য বিনষ্ট করতে কালো টাকা ও সাম্প্রদায়িকতা ব্যবহারের চেষ্টা করলেও তা সফল হয় না বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

শুক্রবার রাজধানীতে নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির বিষয়ে এক আলোচনা সভায় বিএনপিকে নিয়ে গঠিত সরকারবিরোধী জোটের প্রধান নেতা এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “আমরা যখনই ঐক্য গড়ার চেষ্টা করি, তখনই কালো টাকা দিয়ে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় এবং সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে সামনে আনা হয়। কিন্তু জনগণ এগুলোকে প্রশ্রয় দেয় না বলে সরকার সফল হয় না। “সরকার চেষ্টা করে সংকীর্ণ দলীয় বক্তব্য দিয়ে এবং কালো টাকা ব্যবহার করে অনৈক্য সৃষ্টির। কিন্তু তারা কোনো দিনও সফল হয়নি। যখনই আমরা ঐক্যের ডাক দিয়েছি, তখন মানুষ সরকারের এই নেতিবাচক চেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জনগণের মধ্যে ঐক্য গড়ে উঠেছে। এই ঐক্যের মধ্য দিয়ে যতগুলো চ্যালেঞ্জ ফেইস করতে হয়েছে, আমরা সেটা করেছি। এবারও সেটা করতে হবে।”-বিডিনিউজ
জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের উদ্যোগে ‘নির্বাচনকেন্দ্রিক সংকট সমাধানে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন ও প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক আলোচনা সভাটি হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল বলেন, “জনগণকে ক্ষমতার মালিকের ভূমিকা রাখতে হবে, আমাদেরকে একত্রিত হতে হবে। সেজন্য আমাদের এই ঐক্যের ডাক, ঐক্যের রাজনীতির ডাক।

“অতীতে আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি, সফল হয়েছি। এবারো আমরা ঐক্যের ডাক দিয়ে নেমেছি – মানুষের সাড়াও পড়ছে। আমরা বিশ্বাস করি, ঐক্যের ডাকের গুরুত্বটা জনগণ উপলব্ধি করছেন।”
এজন্য পাড়া-মহল্লা-গ্রামে ঐক্যের ডাক নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই ঐক্যকে আরো সুসংহত করে আমরা আগামীতে দেশকে জনগণের নিয়ন্ত্রণে আনব। ঐক্য সৃষ্টি হলে স্বৈরশাসনের সম্ভাবনা থাকে না, স্বৈরশাসন টিকে থাকতে পারবে না।

“আমরা যদি সত্যিকার অর্থে মানুষকে বুঝাতে পারি দেখেন, আমাদের শক্তি উৎস জনগণ, তাদের সাড়া আমরা সব সময় পেয়েছি। আমাদের সবাইকে মাঠে লেগে থাকতে হবে, জনগণের কাছে যেতে হবে।”
ড. কামাল বলেন, জনগণের শাসন হবে প্রত্যেক স্তরে কেন্দ্রতে, জেলায় জেলায়, স্থানীয় পর্যায়ে সবখানে। এটা হলে কার্য্কর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, জনগণের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যগুলো অর্জিত হবে।
সভায় ক্যাসিনোকা-ে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের প্রসঙ্গ টেনে জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব বলেন, “সম্রাট সাহেবের ইনটেরোগেশনটা জাতি শুনতে চায়। কাকে কাকে টাকা দিয়েছেন? কেন ২৫ দিন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে দেরি হল? বাজারে গুজব, অনেক মন্ত্রীর নাম আছে। আমাদের দেশের মানুষকে সন্দেহের মধ্যে রাখবেন না, বিষয়টা পরিষ্কার করুন।
“সম্রাট বলুক সে কারে কারে টাকা দিতো এটা আমরা জানতে চাই।”

The Post Viewed By: 46 People

সম্পর্কিত পোস্ট