চট্টগ্রাম রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ২:০৭ এএম

সংসদে জিএম কাদের রওশনের উপনেতা

নানা নাটকীয়তার পর জাতীয় পার্টির সমঝোতা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলটির কো চেয়ারম্যান রওশন এরশাদকে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ হয়েছে। আর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর স্বীকৃতি পেয়েছেন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় রবিবারের তারিখে এ প্রজ্ঞাপন জারি করলেও তা প্রকাশিত হয় সোমবার। রওশনের সঙ্গে বিরোধী দলীয় উপনেতা কে হচ্ছেন, রবিবার পর্যন্ত সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেনি জাতীয় পার্টি। বিডিনিউজ
স্পিকারের কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তারা বলেন, জিএম কাদের রবিবারই ওই পদের স্বীকৃতি দিতে স্পিকারকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন।

গেজেটে বলা হয়, জাতীয় সংসদে সরকারি দলের বিরোধীতাকারী সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য নিয়ে গঠিত সংসদীয় দলের নেতা রওশন এরশাদকে (ময়মনসিংহ ৪) জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী বিরোধী দলীয় নেতা এবং উপনেতা (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) অধ্যাদেশ মোতাবেক (১৮ লালমনিরহাট-৩) সংসদ সংদস্য গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে রিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। আইন অনুযায়ী বিরোধী দলীয় নেতা মন্ত্রী ও উপনেতা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।- বিডিনিউজ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ পার্টির সংসদীয় দলের নেতা এবং একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন। তার স্ত্রী রওশন দলের জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যানের পাশাপাশি বিরোধীদলীয় উপনেতার দায়িত্বে ছিলেন। আর এরশাদের ভাই জি এম কাদের ছিলেন পার্টির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্বে।

এরশাদের মৃত্যুর পর জিএম কাদের দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলে রওশন তাতে আপত্তি তোলেন। এরশাদের আসনে উপ নির্বাচনের মনোনয়ন নিয়ে সেই দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়।

এরপর জিএম কাদের বিরোধী দলীয় নেতার পদটি পাওয়ার জন্য স্পিকারকে চিঠি দিলে প্রকাশ্যে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে জাতীয় পার্টি। দলের একটি অংশ রওশনকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করলে জাতীয় পার্টি ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়। শেষ পর্যন্ত শনিবার দুই পক্ষের নেতাদের সমঝোতা বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, জিএম কাদেরই পার্টির চেয়ারম্যান থাকবেন আপাতত। আর রওশন হবেন বিরোধী দলীয় নেতা।

The Post Viewed By: 137 People

সম্পর্কিত পোস্ট