চট্টগ্রাম বুধবার, ০৩ মার্চ, ২০২১

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৮:৫৭ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

ছিনতাই মামলায় আটক পুলিশ সদস্য রিমান্ডে

রাজধানীর মতিঝিলে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার বংশাল থানা পুলিশের কনস্টেবল আল মামুনকে একদিন রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী রিমান্ডের এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার এসআই এনামুল হক শিমুল আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এ মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থন সর্ম্পকে এই আসামি অবগত আছে। মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, আসামিদের সঠিক নাম ঠিকানা সংগ্রহ এবং পলাতক আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনার জন্য এ আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, রাজধানীর পুরানা পল্টন তিতাস এ্যানার্জি অ্যান্ড মেরিন ইলেকট্রনিকস নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কালাম আজাদ। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে তাকে পেমেন্ট দেয় এক গ্রাহক। পরে ওই টাকা নিয়ে আজাদ আল-আরাফাহ ব্যাংক মতিঝিল শাখায় নিজ হিসাবে জমা দিতে যাচ্ছিলেন। এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে বের হওয়ার পর আসামি মামুনের নেতৃত্বে দুই মোটরসাইকেলে চড়ে তিন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে। তারা পরিচয় দেয়, ‘আমরা সিআইডির লোক। তুই অবৈধ টাকা লেনদেন করিস, তোকে আমাদের সঙ্গে থানায় যেতে হবে। এ সময় তাকে হ্যান্ডকাপ পরানোর চেষ্টা করেন। আবুল কালাম আজাদ হ্যান্ডকাপ পরতে রাজি হননি। একপর্যায়ে আসামি মামুন ও জিতু নামে দুই যুবক আবুল কালাম আজাদকে জোড় করে মোটরসাইকেলে তোলে। পুলিশ লেখা (ঢাকা মেট্রো ল ২৪-৩৬৯৯) নম্বর মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিল মামুন। তারা আরামবাগের দিকে মোহামেডান ক্লাবের সামনে গেলে আবু কালামের সন্দেহ হয় তারা পুলিশ নয়; ছিনতাইকারী। এ সময় আবু কালাম মোটরসাইকেলের ব্রেকে চাপ দিয়ে সেটি থামায় এবং ছিনতাইকারী বলে চিৎকার শুরু করেন। এসময় আসামি মামুনের কাছে থাকা হাতকড়া দিয়ে আবু কালামের মাথায় আঘাত করে; এতে মাথা ফেটে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে মামুনকে গণপিটুনি দেয়। পরে সে পুলিশ পরিচয় দিলে তাকে মতিঝিল থানার একটি টহল দলের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনায় ছিনতাইয়ের শিকার আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আসামি তিন জন। আল মামুন ছাড়া মামলার অপর আসামি জাহিদুল ইসলাম জিতু নামের একজন। আরেকজন আসামি অজ্ঞাত।

পূর্বকোণ/আল-আমিন

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 304 People

সম্পর্কিত পোস্ট