চট্টগ্রাম সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৫:১৫ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

তুলা আমদানিতে ফি কমানোর আশ্বাস কৃষিমন্ত্রীর

আগের চেয়ে তুলা আমদানির ক্ষেত্রে বেশ কয়েটি জায়গায় চার্জ ক্ষেত্র বিশেষে ১০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এটা ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ সূচকে প্রভাব ফেলবে, তাই এসব ফি কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারিখাত ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশনের (বিটিএম) প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, তুলা আমদানির অনুমোদন আমরা দেই। তবে তুলা আমদনির পর এর সঙ্গে কোনো রোগ-জীবাণু আছে কিনা সেটার জন্য পোর্টে ফিউমিগেসন করতে হয়। এজন্য একটা ফি দেওয়া লাগে।  আমদানিকারকদের সেই চার্জ দিতে হয়। এর আগে এসবক্ষেত্রে যে পরিমাণ চার্জ ছিল সেটা সম্প্রতি ক্ষেত্র বিশেষে ১০ গুণ বাড়ানো হয়েছে। টাকার অংকে বেশি নয় হয়তো ৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা করা হয়েছে। তবে বিশ্বব্যাংকসহ যেসব সংস্থা ইজ অব ডুয়িং বিজনেসের সূচক নির্ধারণ করে তারা এটাকে খুব নেগেটিভভাবে দেখছে।

তিনি বলেন, ফিউমিগেসনে ফি প্রতি বেলে ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ টাকা করা হয়েছে। আমেরিকা থেকে তুলা আমদানি করার সময় সেখানেই একবার ফিউমিগেসন করা হয়। আবার দেশে এনে ফিউমিগেসন করলে খরচ বাড়ে। ফলে আমেরিকা সরকারও এটাকে ভালোভাবে নিচ্ছে না। 

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের সোনালি আঁশ পাট রপ্তানি করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতাম। এখন সেটা দিন দিন কমে যাচ্ছে। বর্তমানে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ অর্জন হয় তৈরি পোশাক থেকে।  

কৃষিমন্ত্রী বলেন, পোশাকশিল্পের মূল কাঁচামাল হচ্ছে কাপড়। এ কাপড় আগে আমরা আমদানি করতাম। কিন্তু বর্তমানে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি বাড়ায় কাপড় পুরোটাই দেশে উৎপাদন হচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা আমাদের দেশে কাপড় তৈরির জন্য কাঁচামাল তুলা চাষ করি না। তাই তুলা আমদানি করতে হয়। তুলা আমদানি করার সময় তুলার সঙ্গে পোকামাকড় বা রোগ-জীবাণু আসছে কিনা সেটা দেখতে হয় কৃষি মন্ত্রণালয়কে। তাই দেশের কল্যাণে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ অন্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এসব ফি কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

পূর্বকোণ/পলাশ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 231 People

সম্পর্কিত পোস্ট