চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২৪ আগস্ট, ২০১৯ | ৫:৫৪ পিএম

পূর্বকোণ ডেস্ক

মিয়ানমারের কারণেই প্রত্যাবাসন শুরু করা যাচ্ছে না : জাতিসংঘ

প্রস্তুত ছিল সবই। তা সত্ত্বেও নিজেদের দেশে পাঠানো গেল না মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সম্পন্ন করা হয় দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পাঠানোর জন্য মিয়ানমার সরকারের ছাড়পত্র পাওয়া ১০৩৭ পরিবারের ৩৫৪০ জনের মধ্যে ৩ দিনে সাড়ে ৩শ পরিবারের সাক্ষাতপর্ব।

টেকনাফের শালবাগান ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বহনের জন্য ৫টি বাস আর মালামাল পরিবহনের জন্য ৩টি ট্রাক প্রস্তুত রাখা হয় আগে থেকেই। সেখান থেকে জোরদার করা হয়েছিল বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ট্রানজিট ঘাট পর্যন্ত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এতসব আয়োজনের পরও ভেস্তে যায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। আর এজন্য বাংলাদেশকে দুষলো মিয়ানমার। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সঠিক কাগজপত্র দিতে না পারার দাবি করা হয়। তবে বাংলাদেশ নয়, মিয়ানমারের কারণেই প্রত্যাবাসন শুরু করা যাচ্ছে না বলে জানায় জাতিসংঘ।

সব ধরনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দফার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে না পারার জন্য আবারো বাংলাদেশকেই দুষেছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, রোহিঙ্গাদের যাচাই বাছাইয়ে সঠিক কাগজপত্র দিতে না পারায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়। ৪শ হিন্দু রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে দিতে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হলেও বাংলাদেশ তা প্রত্যাখ্যান করে বলেও দাবি তাদের। এদিকে, জাতিসংঘ বলছে, বাংলাদেশ নয় বরং মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত নয়। উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের ফেরার অনুকূল নয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) জাতিসংঘ জানায়, ২০১৭ সালে গণহত্যার উদ্দেশ্যেই মিয়ানমারের সেনারা যৌন সহিংসতা চালানোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগে বাধ্য করে । গত বছরের ১৫ নভেম্বরও প্রত্যাবাসনের দিন-তারিখ ঠিক করা হয়েছিল একইভাবে। তবে সেবারও রোহিঙ্গাদের নানা শর্তে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম ভেস্তে যায়।

পূর্বকোণ/রাশেদ

The Post Viewed By: 152 People

সম্পর্কিত পোস্ট