চট্টগ্রাম রবিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৩

সর্বশেষ:

৪ জানুয়ারি, ২০২৩ | ১১:১১ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

গাইবান্ধায় পুলিশ-প্রশাসন নিরপেক্ষ ছিল, ভোটও ভালো হয়েছে: সিইসি

গাইবান্ধায় পুনঃভোটের চিত্রে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সেখানে পুলিশ ও প্রশাসন নিরপেক্ষ ছিল, ভোটও ভালো হয়েছে। 

সিইসি বলেন, এবারের ভোটের শুরুতেও পরিবেশ সুন্দর ছিল, সমাপ্তিটাও চমৎকার হয়েছে। সব মিলিয়ে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খলভাবে সুন্দর ভোট হয়েছে। সেদিক থেকে নির্বাচনটা সফল হয়েছে। ভোটে কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ যেমন পাওয়া যায়নি, তেমনি ভোট দিতে কারও অসুবিধা বা ধীরগতির অভিযোগ আসেনি।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ইভিএমে ধীরগতি ছিল না, কোনো অভিযোগও উত্থাপিত হয়নি। ভোটার উপস্থিতি গড়ে ৩৫% এর কম-বেশি হতে পারে। চূড়ান্তভাবে পরে জানা যাবে।

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ইভিএমে ভোট হওয়ার পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা থাকায় স্বচ্ছ নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা থাকবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি কমিশন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইলেকটোরাল গভার্নেন্স ও সিসি ক্যামেরা একটা নতুন সংযোজন। সিসি অনেক তীক্ষ্ণ ও কার্যকর হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রে অনিয়ম হলে সচেতন থাকে সবাই, কেন্দ্রের ভেতরে-বাইরে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটে সিসি ক্যামেরা ইতিবাচক।

 

আগেরবার পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের দিকে অভিযোগের আঙুল থাকলেও এবার তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, জেলা প্রশাসন পুলিশ ও আমাদের কর্মকর্তারা পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন, নিরপেক্ষভাবে কাজ করে দেখিয়েছেন। এখানে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি এটা আমাদের সক্ষমতা, জাতীয় সংসদের নির্বাচনে সমৃদ্ধ করবে। মাঠে প্রশাসন পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর আমাদের নজরদারি থাকবে।

 

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৫ আসনটি শূন্য হয়। সেই আসনে গত ১২ অক্টোবর উপনির্বাচনে সম্পূর্ণ ইভিএমে ভোটগ্রহণ হচ্ছিল।

তবে সিসি ক্যামেরায় পুরো আসনের এক-তৃতীয়াংশ কেন্দ্রে অনিয়মের দৃশ্য দেখে ঢাকা থেকে নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দেয় ইসি। ভোটের দিন অনিয়মে জড়িত শতাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চিঠি দিয়েছিল কমিশন। ৬ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর এক মাসের মধ্যে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে কমিশনকে জানানোর কথা রয়েছে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, আমাদের তরফ থেকে নির্দেশনা দিয়েছি। সেই বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এখনো কোনো উত্তর পাইনি। ফলোআপ করবো আমরা। চিঠি পেতেই সময় লাগে। দুই তিন মাস ওয়েট করতে পারেন।

 

পূর্বকোণ/রাজীব/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট