চট্টগ্রাম সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩

৫ ডিসেম্বর, ২০২২ | ৪:৩৮ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

চিকিৎসা নিতে দেরি করায় ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেশি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা দেরি করে চিকিৎসা নিতে আসার কারণে বেশি রোগী মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর কারণ মানুষের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যাচ্ছে রোগী যখন ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে তখন অনেকে একে সর্দি জ্বর মনে করছেন। সেটা ভেবে অনেক কালক্ষেপণ করা হচ্ছে, এতে রোগী সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছে। হেমোরেজিক একটা ভাইরাস আছে ডেঙ্গুর যা ইন্টারনাল ব্লেডিং করে, সেটা শুরু হলে রোগীকে বাঁচানো কষ্ট হয়ে যায়। ভর্তি হওয়ার তিন দিনের মধ্যে রোগী মারা গেছে ৭২ শতাংশ। যারা দীর্ঘ সময় থাকতে পেরেছে তারা কিন্তু বেঁচে গেছে। যারা আসার তিন দিনের মধ্যে মারা গেছেন তারা সিরিয়াস কন্ডিশনে আসছে। সেদিকে সবার সচেতন থাকতে হবে, যাতে জ্বর হলে পরীক্ষাটা করে নেওয়া হয়। ডেঙ্গু হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি আশপাশের দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ডেঙ্গু বেড়ে গিয়েছিল। এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার ডেঙ্গু রোগী পেয়েছি। তার মধ্যে ৩৬ হাজারই ঢাকায়, তাও সিটি কর্পোরেশন এরিয়ায়। সিটি করপোরেশেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী। ডেঙ্গুর জন্য যে চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের নেয়ার কথা, আমরা কিন্তু সেই ব্যবস্থা রেখেছিলাম। হাসপাতাল ডেঙ্গু রোগীতে ভরা ছিল। প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার রোগী আসে। সেই ১ হাজার রোগীকে আমাদের রাখতে হয়েছে, চিকিৎসা দিতে হয়েছে।’

গ্রামের চেয়ে শহরে ডেঙ্গুর পরিমাণ কম উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, ‘গ্রামে কিন্তু এতো মশা নেই, ঢাকা শহরে এটা বেশি। তাই ঢাকাসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনগুলোতে যদি বেশি নজরদারি করা হয় তাহলে হয়তো আগামীতে রোগীর সংখ্যা কমবে। আশা করি, সামনে ভালো ওষুধ যথা সময়ে দেওয়া হবে। যথেষ্ট স্প্রে করার পরও যখন মশা এতে বাড়ে তখন অনেক সময় মনে হয়, এই ওষুধটা মশার জন্য কার্যকর হয়নি। বা মানুষের শরীরে যেভাবে অ্যান্টিবডি ডেভলপ করেছে, মশারও তেমন অ্যান্টিবডি ডেভলপ করেছে।’

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট