চট্টগ্রাম সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৮ আগস্ট, ২০১৯ | ৩:০৯ পিএম

অনলাইন ডেস্ক

কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু

গেলেন চিকিৎসা করাতে, আসলেন লাশ হয়ে

চোখের ডাক্তার দেখাতে গিয়ে কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ মৃতদেহ দেশে আনা হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতার লাউডন স্ট্রিটের কাছে গাড়িচাপায় মৃত্যু হয় মঈনুল আলম ও তানিয়ার।

আজ রবিবার (১৮ আগস্ট) বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে স্বজনদের কাছে তাদের মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুই দেশের কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাশ দুটি হস্তান্তর করা হয়। রবিবার সকালে একটি এম্বুলেন্সে করে দুই বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্টে নিয়ে আসা হয়। পরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সেরে অপেক্ষারত স্বজনদের কাছে তাদের কফিন বুঝিয়ে দেয়া হয়।

এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। পরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ জানান, মঈনুলের মরদেহ তার চাচাতো ভাই জিহাদ আলীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। মঈনুল ঝিনাইদহের বুটিয়াঘাটি গ্রামের কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে।আর তানিয়ার মরদেহ বুঝে নেন তার চাচাতো ভাই আবু ওবায়দা শাফিন। তানিয়ার বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকশা উপজেলার চান্দুর গ্রামে। তিনি মুন্সি আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

জানা যায়, নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া ও মাঈনুল আলম তাদের সহকর্মী শফিউল্লাহসহ চিকিৎসার উদ্দেশে গত ১৪ আগস্ট কলকাতায় যান। পরে ১৬ আগস্ট ফারজানা, মাঈনুল ও শফিউল্লাহ কলকাতার শেক্সপিয়র সরণিতে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় দুদিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা দুটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি প্রাইভেট কার উল্টে তাদের গায়ের ওপর এসে পড়ে। এ সময় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন ফারজানা, মাঈনুল। এতে গুরুতর আহত হন শফিউল্লাহ।

নিহত ফারজানা ইসলাম তানিয়া কুষ্টিয়ার খুকসা উপজেলার চান্দুর গ্রামের মুন্সি আমিনুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বাবা মায়ের দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছিলেন। তার মৃতদেহ গ্রহণ করেন চাচাতো ভাই আবু ওবায়দা শাফিন। ফারজানা ইসলাম তানিয়া সিটি ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে রাজধানীর ধানমণ্ডি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

পূর্বকোণ/পলাশ

The Post Viewed By: 733 People

সম্পর্কিত পোস্ট