চট্টগ্রাম সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

প্রতীকি ছবি

২৩ অক্টোবর, ২০২২ | ২:৫৮ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

দুর্গম পাহাড়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযান অব্যাহত: র‌্যাব

জঙ্গিদের খোঁজে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

আজ রবিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর কাওরানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

এর আগে ‘হিজরতের’ নামে ঘর ছাড়া ৩৮ তরুণের তালিকা প্রকাশ করেছিল র‌্যাব। সংস্থাটি নতুন করে আরও ১৭ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলছে, সমতলের জঙ্গিরা দুর্গম পাহাড়ে গিয়ে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) ছত্রচ্ছায়ায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল।

র‌্যাব আরও জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিতে দুটি প্রশিক্ষণ শিবিরে অভিযান চালিয়ে কেএনএফের তিন সদস্যসহ নতুন জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল আনসারের ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেখান থাকা জঙ্গিরা ও কেএনএফ সদস্যরা অন্য এলাকায় পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ সংগঠনের আমিরসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নাম পাওয়া গেছে। তবে তাদের বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, দেশের বিভিন্ন ব্যক্তির টাকায় সংগঠনটি চলছিল।’

নতুন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে গত ২৩ আগস্ট কুমিল্লা থেকে আট কলেজছাত্র নিখোঁজ হন। কিছুদিন পর তাদের একজন ফিরে এলে এই তরুণদের জঙ্গিবাদে জড়িয়ে ‘হিজরতের’ নামে ঘরছাড়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এর কয়েক দিন পর কুমিল্লা শহরের কুবা মসজিদের ইমাম শাহ মো. হাবিবুল্লাহ আত্মগোপনে চলে যান। এরপর ৫ অক্টোবর সাতজনকে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। তাদের মধ্যে কুমিল্লার দুজনসহ নিখোঁজ চার তরুণ ছিলেন। বাকি তিনজন জঙ্গি সংগঠক ও আশ্রয়দাতা।

এরপর ৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয় আরও পাঁচজনকে। পরদিন ১০ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নিরুদ্দেশ হওয়া ৩৮ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে এবং পাহাড়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালানোর কথা জানায়।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট