চট্টগ্রাম রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ১:৪০ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

গণমাধ্যমে কথা বলায় সভাপতি-সম্পাদকের তোপের মুখে ছাত্রলীগ নেত্রী!

সিট বাণিজ্য নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলায় ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস শাখা সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার অনুসারীদের মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিচার না হলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ করেন জান্নাতুল ফেরদৌস। এরপর মধ্যরাতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাস। গত ২২ সেপ্টেম্বর সিট বাণিজ্য নিয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য দিয়েছিলেন তিনি।

 

জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা তাদের (সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক) কাছের মানুষ হতে পারিনি। তাই আমাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। আমরা যারা তাদের ভুল ধরিয়ে দিই, তারাই শত্রু হয়ে গেছি। কারণে-অকারণে আমাদের হেনস্তা করা হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনার বিচার না হলে আমি সুইসাইড করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার জায়গা থেকে ছাত্রলীগের ওপর মহলে জানিয়েছি। আর সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য তো ফোনই রিসিভ করেন না। তাদের কীভাবে জানাব?’

এদিকে রাতে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। এ ঘটনার জন্য শিক্ষার্থীরা ‘ব্যর্থ’ কলেজ প্রশাসনের পদত্যাগ ও ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার করার দাবি জানান। দফায় দফায় মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভার অনুসারী কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, কামরুন নাহার জ্যোতিসহ কয়েকজন নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার বোনকে নির্যাতন করেন।

তবে জান্নাতুল ফেরদৌসকে কোনোরকম শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি বলে দাবি করেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী আরেক সহ-সভাপতি রুকসানা আক্তার। তিনি বলেন, জান্নাতুল ফেরদৌস সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হেনস্তা করেন। শিক্ষার্থীরাই তাকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করেছে। আর কোন প্রকার শারীরিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেনি।

ইডেন কলেজের বঙ্গমাতা হলের প্রভোস্ট নাজমুন নাহার বলেন, ‘ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

পূর্বকোণ/এএস/এএইচ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট