চট্টগ্রাম রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফুসফুস রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন শহরের বাসিন্দারাই

বাংলাদেশে এজমা রোগীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ। এদের মধ্যে চল্লিশোর্ধ ২১ শতাংশ নাগরিক ভুগছেন সিওপিডিতে (দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগ)। যার মধ্যে ৬২ শতাংশই ধূমপায়ী। বাংলাদেশে ফুসফুসের রোগের অন্যতম প্রধান কারণ পরিবেশ দূষণ এবং ঘনবসতিপূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, বিশ্বে প্রতি ১০ জনের ৯ জনই দূষিত বায়ু সেবন করে, যা ফুসফুসের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশের ভয়াবহতা এমনই যা যেকোনো সুস্থ ফুসফুসেরও সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্ষতিসাধন করে। শিশু থেকে বয়োবৃদ্ধ সব বয়সের মানুষ এ সমস্যায় ভুগেন। মূলত শহরের বাসিন্দারা বেশি শিকার হয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যে আজ রবিবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব ফুসফুস দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ফুসফুস সুস্থ রাখুন দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকুন’। তবে ফুসফুসের রোগ থেকে বাঁচতে বাড়াতে হবে সচেতনতা। তাহলেই অনেকাংশে এই রোগ কমিয়ে আনা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে, ধূমপান পরিত্যাগ, টিকা গ্রহণ, নির্মল বায়ু সেবন এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে ফুসফুস সুস্থ থাকে। তবে যারা ফুসফুসের কোনো রোগে ভুগছে তাদের জন্য চিকিৎসক কিংবা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ মাফিক ব্যায়াম আবশ্যক। ধূমপান ত্যাগ করার ২০ মিনিটের মধ্যে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক হবে। ১২ ঘণ্টায় ক্ষতিকর কার্বন মনোঅক্সাইডের মাত্রা স্বাভাবিকে নেমে আসবে। ২-১২ সপ্তাহের মধ্যে ফুসফুসের রক্তসঞ্চালন ও কর্মক্ষমতার উন্নতি হবে। ১-৯ মাসের মধ্যে কাশি ও শ্বাসকষ্ট কমে যাবে। ৫-১৫ বছরের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁঁকি অধূমপায়ীদের পর্যায়ে নেমে আসবে। ১০ বছরের মধ্যে ফুসফুসের ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা অর্ধেকে নেমে আসবে। ১৫ বছরের মধ্যে হৃদ্রোগের সম্ভাবনা অধূমপায়ীদের পর্যায়ে নেমে আসবে।

পূর্বকোণ/আর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট