চট্টগ্রাম বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

৮ আগস্ট, ২০২২ | ১:০২ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

‘বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম অগ্রদূত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা’

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল জাতির পিতার সহধর্মিণীই ছিলেন না, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামেও তিনি ছিলেন অন্যতম অগ্রদূত।

সোমবার (৮ আগস্ট) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে  দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটোবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত  নম্র, শান্ত ও অসীম ধৈর্য্যের প্রতিমূর্তি। তিনি বুদ্ধিমত্তা, ধৈর্য্য ও সাহস নিয়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেন। আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। দেশের স্বার্থে বঙ্গবন্ধুকে অসংখ্যবার কারাবরণ করতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বঙ্গমাতা সেই কঠিন দিনগুলোতে ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের নেপথ্যেও ছিলেন তিনি। তারই পরামর্শে বঙ্গবন্ধু হৃদয় থেকে উৎসারিত অলিখিত এ ভাষণ প্রদান করেন।

 

তিনি আরও বলেন, বঙ্গমাতা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পত্নী হয়েও সবসময় সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। নির্লোভ, পরোপকারী ও নিরহংকার মুজিবপত্নীর মধ্যে বাঙালি মায়ের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। ক্ষমতার চূড়ায় থেকেও তিনি অমায়িক ও আন্তরিক ব্যবহারে সবাইকে আপন করে নিয়েছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিজ জীবনে লালন ও ধারণ করে তার সন্তানদেরও একই আদর্শে গড়ে তোলেন। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একই শিক্ষা, আদর্শ ও চেতনাকে অবলম্বন করে বাংলাদেশকে আজ বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক ২০২২ দেওয়া একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে বঙ্গমাতার রেখে যাওয়া আদর্শকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকে দেশমাতৃকার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট