চট্টগ্রাম বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ | ৪:২৬ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

সিজার করলেন আয়া-নার্স, নবজাতকের কপালে ৯ সেলাই!

ফরিদপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে গাইনি ডাক্তার ছাড়াই সিজার করতে গিয়ে নবজাতকের কপাল কেটে ফেলেছেন আয়া ও নার্স। কপালে ৯টি সেলাই নিয়ে শিশুটি এখন গুরুতর অসুস্থ।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের আল-মদিনা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী রূপা বেগম রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার উজানচর ইউনিয়নের মৈজদ্দিন মণ্ডলপাড়া গ্রামের শফিক খানের স্ত্রী।
এই ঘটনায় ক্লিনিকের মালিক মো. জাকারিয়া মোল্লা পলাশ ও আয়া চায়না বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ভাই মো. আমির ফয়সাল জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে আল-মদিনা প্রাইভেট হাসপাতালে তার বোনকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু গাইনি ডাক্তার আসার আগেই তার বোন রুপা বেগমকে আয়া ও নার্স মিলে সিজার করে। বাচ্চা বের করে আনার পর দেখা যায় তার কপালে ৯টি সেলাই ও বাচ্চাটি গুরুতর অসুস্থ।

এ ব্যাপারে শিশুটির ফুফা আসলাম খান বলেন, গরিব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার নামে এ ধরনের হয়রানি বন্ধ এবং অপরাধীদের শাস্তি চাই। রোগীদের চিকিৎসার নামে এ বেসরকারি হাসপাতালটি ডাক্তার, নার্স, আয়াসহ নানা অনিয়ম নিয়ে অনেকেরই অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমি হাসপাতালটি পরিদর্শন করি। গাইনি ডাক্তার ছাড়াই গর্ভবতী মাকে সিজার করা ও বাচ্চাটির কপাল কেটে ফেলার অভিযোগে হাসপাতালের মালিক পলাশ ও কর্মরত আয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।হাসপাতালটির বিভিন্ন অনিয়মসহ এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
  • 103
    Shares
The Post Viewed By: 379 People

সম্পর্কিত পোস্ট