চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১

সর্বশেষ:

১৫ অক্টোবর, ২০২১ | ৬:৫০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্মাননা পাচ্ছেন সাত গবেষক-সাধক

লালন সাঁইজির ১৩১তম তিরোধান দিবসে সম্মাননা স্মারক পাচ্ছেন সাত জন লালন গবেষক ও সাধক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ।

তিনি জানান, লালন গবেষণা ও সাধনায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রথমবারের মতো সাত জন গবেষক ও সাধককে সম্মাননা স্মারক প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এরমধ্যে লালন গবেষণায় সম্মাননা পাচ্ছেন অধ্যাপক ড. আবুল আহসান চৌধুরী ও অধ্যাপক ড. শক্তিনাথ ঝা (ভারত)।

লালন সাধনায় সম্মাননা পাচ্ছেন পার্বতী দাস বাউল (ভারত), ফকির মোহাম্মদ আলী শাহ (কুষ্টিয়া), ফকির আজমল শাহ্ (ফরিদপুর), নিজাম উদ্দিন লালনী (মাগুরা) ও শুরু বালা রায় (ঠাকুরগাঁও)। সম্মাননা স্মারক হিসেবে প্রত্যেকে পাচ্ছেন একটি করে ক্রেস্ট, স্মারকপত্র ও পঁচিশ হাজার টাকা।

২০১৯ সাল থেকে প্রতিমাসের পূর্ণিমা তিথিতে ‘সাধুমেলা’ আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ১৬ অক্টোবর লালন সাঁইজির ১৩১তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে লালন স্মরণোৎসব ও সাধুমেলার ৩১তম আসর আয়োজন করা হচ্ছে। এই আয়োজনের মঞ্চেই সাত জন লালন গবেষক ও সাধক সম্মানিত হবেন।

মানবতার মহান সাধক ফকির লালন সাঁই ১৭৭৪ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি থানার অন্তর্গত চাপাড়া, ভাড়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সাধক, দার্শনিক ও মানবতাবাদী কবি। তার মর্মস্পর্শী পদাবলি বাংলার সহজ সরলমনা সঙ্গীত প্রেমীদের আত্মার খোরাক। দেশে ও দেশের বাইরে মুক্তিকামী অসংখ্য মানুষ লালন ফকিরের ভাববাণীকে নিজ জীবনের ভাবাদর্শ হিসেবে গ্রহণ করছেন।

ফকির লালন সাঁইজির অবদান মূল্যায়ন এবং জাতীয় পর্যায়ে এ মহৎ পদকর্তার সংগীত ভাণ্ডারকে আরও জনপ্রিয় ও লোকগ্রাহ্য করে তার আলোকে জীবন ও সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ সাধুমেলার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

আগামী ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় একাডেমির বাউলকুঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩১তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে লালন স্মরণোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

পূর্বকোণ/মামুন/পারভেজ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 228 People

সম্পর্কিত পোস্ট