চট্টগ্রাম সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

২২ জানুয়ারি, ২০২১ | ১:২০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক 

করোনায়ও চা উৎপাদনে রেকর্ড

সদ্য বিদায়ী বছরে (২০২০ সাল) দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে মোট ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১০ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন কেজি বেশি। এরমধ্যে শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১০.৩০ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে; যা গত বছর ৯.৬০ মিলিয়ন কেজি ছিল। ২০২০ সালে উন্নয়নের পথনকশায় চায়ের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৫.৯৪ মিলিয়ন কেজি।

উৎপাদনের এই সাফল্য প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, কোভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সকল চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। এছাড়াও উৎপাদনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২০ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন, “কোভিড পরিস্থিতিতেও উৎপাদনের এ ধারাবাহিকতা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে যেকোন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের চা শিল্প উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম অর্থ্যাৎ চা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও জানান, উত্তরবঙ্গে চা চাষীদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলে’র মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।  চা বোর্ড সূত্র জানায়, গত বছর বাম্পার ফলনের ফলে দেশে ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। এ বছরে কোভিডের কারণে হোটেল রেস্টুরেন্ট বা চায়ের দোকানে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চা’য়ের চাহিদা প্রায় ১০-১৫% হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর চা’য়ের উৎপাদনও ১০% কমেছে। ফলে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চায়ের চাহিদা ও যোগানে ভারসাম্য বজায় রয়েছে।

র্পূবকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 359 People

সম্পর্কিত পোস্ট